ছবিঃ সিএনআই
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে গমের বাম্পার ফলনে চাষিদের মুখে ফুটেছে তৃপ্তির হাসি। গত বছরের তুলনায় এবার গমের আবাদ দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঠজুড়ে এখন গম কাটার প্রস্তুতি চলছে। চাষিরা আশা করছেন, প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ১০ থেকে ১২ মন পর্যন্ত গম ফলন হবে। বাজারে দাম ভালো থাকায় এবছর গম চাষ থেকে ভালো লাভের প্রত্যাশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, চলতি বছর সাতকানিয়ায় প্রায় ৬.৫০ হেক্টর জমিতে গম আবাদ হয়েছে, যেখানে গত বছর তা ছিল ৩.৫ হেক্টর। এবছর বারি গম ৩০ এবং বারি গম ৩৩ জাতের গম চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে ২০ জন কৃষককে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২০ কেজি গম বীজ, ২০ কেজি সার ও প্রদর্শনী স্থাপনের জন্য উপকরণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এ বছর সোনাকানিয়া, বাজালিয়া, কেঁওচিয়া ও খাগরিয়া ইউনিয়নের মাঠে গমের আবাদ লক্ষ্য করা গেছে।
উপজেলার উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তা এসএম জহির টিপু ও মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান জানান, অনেক কৃষক আমন ধান কাটার পর আলু বা সরিষার বদলে গম চাষে মন দিয়েছেন। মাঠ ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতার সমারোহে গমের চাষ সমৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে গমে পাক ধরতে শুরু করবে।
সোনাকানিয়া ইউনিয়নের হযরত আজগর শাহ (রাহ:) মাজারের পূর্ব পাশে মাঠে গম চাষি হাফিজুল ইসলাম, আবদুল মজিদ ও সিরাজুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে দুই একর জমিতে বারি গম ৩৩ চাষ করেছেন। ক্ষেতের ফলন অত্যন্ত ভালো হওয়ায় প্রায় ৬০ মন গম ঘরে তোলার আশা করছেন। তারা আরও জানান, আলু চাষ না করে গম চাষে খরচ কম হলেও লাভ বেশি। বাজার মূল্য ভালো থাকায় সব বিক্রি করতে পারলে আনুমানিক ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় হবে। তবে ক্ষেতে ইঁদুরের উপদ্রব কিছুটা বেশি ছিল।
উপজেলার কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, গম চাষ দিন দিন বাড়ছে, কৃষকরা খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় এদিকে আগ্রহী। ফলে গম চাষে নতুন জীবন ফিরে এসেছে এবং এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ৫ ...
জামালপুর প্রতিনিধি : বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমের মতো সামাজিক ব্যাধি সমূলে উ...
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে গাঁজাসহ চনক্ক চন্দ্...
নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীতে বিএসটিআই’র অনুমোদন ছাড়াই শিশু খাদ্য &l...
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ...

মন্তব্য (০)