ছবিঃ সিএনআই
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের দড়ি ভাউডাঙ্গা কদমতলা গ্রামে একটি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসায় এ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফ পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসায় ওই ছাত্রীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় নিজেকে রক্ষায় ছাত্রীটি গভীর রাতে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পাবনার পুলিশ সুপার আলী আশ্রাফ জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ছাত্রী পুলিশ হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নিউজ ডেস্কঃ সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নারী ও শিশু নির্য...
নিউজ ডেস্ক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর পরিক...
সাতকানিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের...
নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) প্রায় ...

মন্তব্য (০)