• সমগ্র বাংলা

গোপালপুরে এসএসসি ও সমমানে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৩০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশেরও নিচে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার মাকুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়, ডা. মহিউদ্দিন মেমোরিয়াল দাখিল মাদ্রাসা, সুতি দাখিল মাদ্রাসা, বেলুয়া দাখিল মাদ্রাসা, খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমী, আজগরা উচ্চ বিদ্যালয় এবং নারুচি স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৩০ শতাংশের নিচে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাকুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

ডা. মহিউদ্দিন মেমোরিয়াল দাখিল মাদ্রাসায় ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৬ শতাংশ।

সুতি দাখিল মাদ্রাসায় ২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ জন। পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

বেলুয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪ জন। পাসের হার ১৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।

খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমীতে ২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ জন। পাসের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

আজগরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।

অন্যদিকে, নারুচি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮ জন। পাসের হার ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

এদিকে, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণত ১০ থেকে ২০ জনের মতো শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শিক্ষার্থীদের ফলাফলে এমন নিম্নগতি কেন, তা নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের এক-তৃতীয়াংশও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন, শুধু পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বা পাসের হার দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক শিক্ষার মান বিচার করা সম্ভব নয়। তবে ধারাবাহিকভাবে ফলাফল খারাপ হলে এর কারণ চিহ্নিত করে শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, মো. নজরুল ইসলাম বলেন এবার পরীক্ষার্থীদের সিসি ক্যামেরার সামনে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, এবং শর্ট সময়ের এর মাধ্যমে কিছু প্রতিষ্ঠান খারাপ করেছে, এ বিষয়ে অবশ্যই আমরা পদক্ষেপ নেব , আমাদের মিটিং চলমান রয়েছে রেজাল্ট খারাপ হওয়ার বিষয়টা অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক উপস্থিতি, পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিসহ সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

মন্তব্য (০)





image

পঞ্চগড়ে বেগম খালেদা জিয়া বালিকা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের...

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বেগম খালেদা জি...

image

নড়াইলে ব্যাটারিচালিত ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ বছরের ...

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলে ব্যাটারিচালিত ইজিভ্যানের চাপায় স...

image

পঞ্চগড় সীমান্তে বিজিবির নতুন বিওপি স্থাপন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার, চোরাচালান ও অবৈধ অ...

image

৬ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা: ফরিদপুরে বৃদ্ধের ৭ ...

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের মধুখালীতে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের ...

image

ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিল ও সমাবেশের ঘটনায় মামলা; গ্রেফ...

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগে...

  • company_logo