• লিড নিউজ
  • সমগ্র বাংলা

খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতায় ফসলী জমি নষ্ট করা যাবে না:  ভূমিমন্ত্রী

  • Lead News
  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

রংপুর ব্যুরো: ভুমি মন্ত্রী বলেছেন,দেশে কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না।আর খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ধরে রাখতে তিন ফসলী,দো-ফসলী জমি কোন খাতে ব্যবহার করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। তিনি আরও বলেন, কৃষি জমি নষ্ট না করে জনসংখ্যা অনুপাতে খাদ্যের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে এক ফসলি জমি অন্য কাজে ব্যবহার করা হলেও সরকারের অনুমতি নিতে হবে।এরজন্য দেশের মানুষ ও জমির মালিকদের সচেতন হতে হবে।এক শতক জমি নষ্ট করা যাবে না।যদি মানুষ জমি নষ্ট না করে জমি চাষ করে তা হলে দেশের খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতায় পরিনত হবে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকালে রংপুর সফরে এসে নগরীর সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন ভুমি মন্ত্রী। ভূমিমন্ত্রী বলেন,পঞ্চগড়, দিনাজপুর, রংপুর এ বিভাগ শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত।এসব জমি আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। এক্ষেতে সরকার সকলের সহযোগিতা চাই। সুন্দর ভূমি ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য যেন খাদ্য নিশ্চিত করতে পারি, সেই লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

ভূমি সেবায় হয়রানি বন্ধে মন্ত্রী বলেন, জরিপের উপর নির্ভর করে খাজনা ও খতিয়ান ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ে আসা হচ্ছে। ভূমিসেবায় ই-নামজারী, ই-খাজনা দেওয়া চালু করা হয়েছে। কোন গ্রাহককে অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এছাড়া দেশের প্রতিটি মানুষের সাথে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাথে জড়িত। এটিতে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা দরকার। আমরা পর্যায়ক্রমে ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ভূমিসেবাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবো যেন জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে জানা যাবে একজন ব্যক্তির কি পরিমান এবং কোন খতিয়ানে কত জমি রয়েছে। ফলে জাল দলিলের সমস্যা আর হবে না।

তিনি আরো বলেন, দখল হওয়া নদী-নালা, খাল-বিল, জলাশয় উদ্ধার সময় সাপেক্ষ ও কঠিন ব্যাপার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল জরিপ অনুযায়ী সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাস জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির শ্রেণি বিন্যাস করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিটি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। জেলা ও মৌজা অনুযায়ী খাল-বিল ও খাস জমির তালিকা রয়েছে। সেটার মধ্যে কতটুকু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কতটুকু নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেছে তা জেলা প্রশাসক নির্ধারণ করবে। কিন্তু দীর্ঘদিন এই ব্যবস্থা না করার কারণে এটি এমন এক পর্যায়ে চলে গেছে যে এটি সময় সাপেক্ষে এবং কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করতে একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাস জমি, ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির শ্রেণি বিন্যাস করা হবে ডিজিটাল জরিপে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর মন্ডল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল, জেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য জাসেম বিন জুম্মন, মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

মন্তব্য (০)





image

পাটকল থেকে ইপিজেড, ক্ষতির চেয়ে লাভের পাল্লা ভারি

নিউজ ডেস্ক : আদমজী জুট মিল বন্ধের ২৪তম বছর আজ। ২০০২ সালের এই...

image

ফরিদপুরের সদরপুরে কাশবনে মিলল নিখোঁজ শিশুর গলিত লাশ, ক্ষু...

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের সদরপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর আড়ি...

image

পাবনায় বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ভ্যানচালকের

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার ঈশ্বরদীতে বাসের ধাক্কায় শাহীন শ...

image

ফেনীতে গৃহবধূ কাজল হত্যাকাণ্ডে প্রতিবেশী যুবক গ্রেফতার

ফেনী প্রতিনিধি: ফেনীর ফুলগাজীতে গৃহবধূ বিবি কুলসুম কাজল (৩৭)...

image

‎বদলে গেলো ৪ কলেজের নাম, দুটির নামকরণে শহীদ জিয়াউর রহমান

নিউজ ডেস্কঃ সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নামে দেশের...

  • company_logo