• সমগ্র বাংলা

বক্তব্য শুনলেন না ডিসি, ক্ষোভে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভা বর্জন করলেন সনাতনী নেতৃবৃন্দ

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতাদের বক্তব্য না শোনাকে কেন্দ্র করে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছে। এক পর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বৈঠক থেকে উঠে চলে যান জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। সোমবার দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১টার দিকে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসনের ডাকে এই বৈঠকে অংশ নেন জেলার ১৩টি উপজেলার সনাতন ধর্মীয় প্রতিনিধি ও পূজা উদযাপন পরিষদ ও ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
সভায় উপজেলা পর্যায়ের ৪ থেকে ৫ জন পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধির বক্তব্য শোনার পর পূর্বনির্ধারিত অন্য একটি কর্মসূচির অজুহাতে আলোচনা সংক্ষেপ করার কথা জানান জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

এরপর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জেলা আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
এতে উপস্থিত অনেক নেতারা নিজ এলাকার পূজা সম্পর্কিত সমস্যা ও প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাসসহ অন্যরা এবং হট্টগোল করে তারা সভা বর্জন করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
পরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। তার অনুরোধে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা পুনরায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন। যদিও পরে আর কোন আলোচনা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে ধুনট উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ বিকাশ চন্দ্র সাহা বলেছেন, আমি কিছুক্ষণ কথা বলেছি। আমার আগে আরও ৩ বা ৪ জন প্রতিনিধি কথা বলেছে। এরপর তো আমাদের কথা সংক্ষেপ করার বিষয় জানালো। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবাই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
জানতে চাইলে বগুড়া জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র দাস বলেছেন, বছরে একটা দিন আমাদের লোকজন জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে। একেকটা উপজেলা ৩০-৩৫ কিলোমিটার দূরে।

সেখান থেকে আমাদের লোকজন আসেন, নানা ধরনের চাওয়া পাওয়া থাকে। সেই একটা দিনের বৈঠকে কথা বলার সুযোগ দেননি জেলা প্রশাসক। তিনি বলেছেন যে শিক্ষক দিবস উপলক্ষে মিটিং আছে। সময় যেহেতু কম, তা হলে আমাদের পরের দিন মিটিং দিতেন জেলা প্রশাসক।

এসব বিষয় ব্যাখ্যা করে পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, জেলা প্রশাসকের দাওয়াতে আমরা সেখানে গিয়েছি। ডেকে নিয়ে তিনি অপমান করতে পারেন না। আমাদের জন্য মিটিং, আমরা যদি কথা নাই বলতে পারি তো লাভ কী? এ জন্য বিষয়টি খারাপ লেগেছে। পরে আমাদের এমপি রেজাউল করিম বাদশার ডাকে আবার ফিরে গিয়েছি বৈঠকে।
হট্টগোলের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, বৈঠকে যখন পূজা উদযাপন কমিটির কথা বলার পর্ব ছিল, তখন জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা কথা বলেননি। পরে যখন শেষের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন ওনারা বলছিলেন কেন তাদের সময় দেয়া হয়নি। এটা নিয়ে তারা মনে কষ্ট পেয়েছেন। উঠে চলে যান। পরে অবশ্য তারা বৈঠকে এসেছিলেন।

মন্তব্য (০)





image

চন্দনাইশে শিক্ষক দিবস পালিত

১

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলায় "...

image

পঞ্চগড়ে শিশু অধিকার নিশ্চিতের আহ্বানে বিএনসিসির র‍্যালি

২

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশুদের নি...

image

লোহাগড়ায় হত্যাকাণ্ডে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও আসামিপক্ষে...

৩

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়ন স্বে...

image

পঞ্চগড়ে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৪

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:" সর্বজনীন বাসস্থান,টেকসই নগরায়ণ "...

image

বান্দরবানের দুর্গম সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, নিহত ২ খাদে ...

৫

বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের থানচিতে বেড়াতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রা...

  • company_logo