ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ অস্বস্তি কাটছে না সবজির বাজারে। প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো সবজির দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।
গত সপ্তাহে কাঁচামরিচ মিলেছে ১২০ টাকা কেজিতে। আজ শুক্রবারের বাজারে দাম হাঁকা হচ্ছে ১৬০ টাকা। ৪০ টাকা বাড়িয়ে তাল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়। একটা লাউয়ের জন্যও দিতে হচ্ছে ৮০ টাকার বেশি।
দাম বাড়ায় তালিকায় আছে শসা, টমেটো, করলাও। পটল, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা মিলছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে।
বিক্রেতাদের অজুহাত, পণ্যের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। আর ক্রেতাদের অভিযোগ, মনিটরিংবিহীন বাজারে ইচ্ছেমতো দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।
চড়াভাব কাটছে না মাছের বাজারে। নদ-নদীর মিঠা পানির সুস্বাদু মাছের স্বাদ নেয়ার ইচ্ছে থাকলেও সাধ্য নেই স্বল্প আয়ের ক্রেতাদের। এক কেজি মাছের জন্য পকেট থেকে বেরিয়ে যাবে আটশ থেকে হাজার টাকার বেশি। তাই বেশিরভাগ মানুষের ভরসা চাষের মাছ।
কিন্তু সেখানেও দামের আঁচ লেগেছে। চাষের মাছের জন্য কেজিতে বাড়তি ৪০ থেকে ৫০ টাকা গুণতে হচ্ছে। চারশো-সাড়ে চারশোর টাকার নিচে মিলছে না এক কেজি রুই-কাতলা। তাই পরিবারের খাবার তাালিকায় আমিষের যোগান দিতে স্বল্প আয়ের মানুষের হিমশিম অবস্থা।
বাজারে ইলিশ মাছের দেখা মিললেও ক্রেতার আনাগোনা কম। ৭শ'-৮শ' গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২ হাজার টাকা। আর এক কেজি আকারের ইলিশ নিতে চাইলে দিতে হবে ৩ হাজার টাকার বেশি।
এদিকে, এক মাসের বেশি সময় ধরে অস্বাভাবিক চড়া ডিমের বাজার। প্রতি ডজনের দাম কম-বেশি দেড়শ টাকা। অথচ যোগানে কমতি নেই।
ব্যবসায়ীদের যুক্তি, লোডশেডিং আর গরমে মুরগি মারা যাচ্ছে, যার ধাক্কা লাগছে উৎপাদনে। তবে সে যুক্তি মানতে নারাজ ক্রেতারা।
নিউজ ডেস্কঃ শ্রীলঙ্কার বাজারে বাংলাদেশি আলু ও পেঁয়াজ রপ...
নিউজ ডেস্ক : দুর্বল মার্কিন ডলারের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম...
নিউজ ডেস্কঃ হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তৈর...
নিউজ ডেস্ক : চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৮ দিনে দেশে প্রবাসী...
নিউজ ডেস্কঃ দুই বছরের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ...

মন্তব্য (০)