ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে গত সপ্তাহে ভাষণ দেওয়ার সময় দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, তাতে স্পষ্ট হয়েছে যে তিনি বিশ্বমঞ্চে একঘরে হয়ে পড়েছেন। এমনকি নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও তাকে এড়িয়ে চলছেন।
যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে বিশ্বের বৃহত্তম মঞ্চে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার প্রতিবাদে ইউরোপের কয়েকটি দেশসহ ৭৭টি দেশের প্রতিনিধিদের অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়া মোটেও বিস্ময়কর ছিল না।
তবে অধিবেশন কক্ষের বাইরে যা ঘটেছিল, তা ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ইসরাইলে ফেরত যাওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ৮ ঘণ্টা ছিলেন নেতানিয়াহু। এটা যে নেতানিয়াহুর নিজের সিদ্ধান্ত ছিল না, তা সহজেই অনুমেয়।
এবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি নেতানিয়াহু। এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গেও কোনো বৈঠক করতে পারেননি।
এ ছাড়া মার্কিন আইনসভা কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়ার কোনো আমন্ত্রণ পাননি তিনি। ফলে নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনবিরোধী বক্তব্য শুনে সেখানে আইনপ্রণেতাদের উদযাপনের পরিচিত দৃশ্যটি এবার দেখা যায়নি।
ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ইসরাইলের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইকেল ওরেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘কোনো (ইসরাইলি) প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন অথচ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি, এমন ঘটনা আগে ঘটেছে বলে মনে করতে পারছি না।’
আগে যুক্তরাষ্ট্রে গেলে নেতানিয়াহু যে অভ্যর্থনা পেতেন এবার সে জায়গা দখল করেছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, দিয়েছেন লাল গালিচা সংবর্ধনা।
নিউজ ডেস্ক : শনিবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে ফের সামর...
নিউজ ডেস্ক : বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপট...
নিউজ ডেস্ক : রাশিয়ার বাল্টিক ভূখণ্ড কালিনিনগ্রাদে সরাসরি হাম...
নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইর...
নিউজ ডেস্ক : ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ ...

মন্তব্য (০)