• সমগ্র বাংলা

নড়াইলে বোরোর বাম্পার ফলন, ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের দিগন্তজোড়া মাঠজুড়ে এখন কেবল সোনালি ধানের দুলুনি। চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও, সেই হাসির আড়ালে দানা বাঁধছে অজানা শঙ্কা। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগমুক্ত আবহাওয়ায় রেকর্ড ফলনের আনন্দ, অন্যদিকে আকাশচুম্বী উৎপাদন খরচ আর ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা এই দুইয়ের দোলাচলেই কাটছে নড়াইলের চাষিদের দিনরাত।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে নড়াইল জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। জেলায় এবার মোট ৫০ হাজার ৪৯৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১২ হেক্টর বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কম হওয়ায় প্রতিটি ধানের ছড়া হয়েছে পুষ্ট। মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকি ও কারিগরি পরামর্শ এই সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।

গত কয়েক বছর ধরে বোরো মৌসুমের শেষ সময়ে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে নড়াইলের কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। তবে এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন পর্যন্ত বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দেওয়ায় স্বস্তিতে আছেন চাষিরা। জেলার বিভিন্ন বিল ও মাঠে পুরোদমে শুরু হয়েছে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের উৎসব। কৃষকরা জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার বিঘা প্রতি ফলন অনেক বেশি হচ্ছে।

মাঠে বাম্পার ফলন হলেও কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয়। চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়,গত বছরের তুলনায় সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিঘাপ্রতি খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ,ধান কাটার ভরা মৌসুমে শ্রমিকের মজুরি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে, যা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন প্রান্তিক চাষিরা,জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে সেচ কার্যেও।

মাঠে কর্মরত কৃষক উজ্জল মোল্যা আক্ষেপ করে বলেন, "এবার আল্লাহর রহমতে ধান খুব ভালো হইছে। কিন্তু কামলা খরচ আর সারের দাম মিলায়া ঘরে ধান তুলতে কলিজা পানি হইয়া যাইতেছে। সরকার যদি ধানের দামটা একটু বাড়ায়া না ধরে, তবে আমাগো লাভ তো দূরের কথা, আসল তোলাই দায় হবে।"

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন,অনুকূল আবহাওয়া এবং মাঠ পর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তাদের নিবিড় তদারকির ফলে এবার জেলায় বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আবাদ হওয়াটা আমাদের জন্য ইতিবাচক। কৃষকরা যাতে কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই নির্বিঘ্নে ফসল ঘরে তুলতে পারেন, আমরা সেই লক্ষে কাজ করছি। ###

মন্তব্য (০)





image

দিনাজপুরের রুদ্রাণী সীমান্তে ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের যৌন উত...

১

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের রুদ্রাণী সীমান্তে ৮৩ হাজ...

image

বগুড়ায় ‎প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় আ. লীগ নেতা মা...

২

বগুড়া প্রতিনিধি : ‎কারাবন্দী হওয়ার প্রায় ১৬ মাস পর ...

image

পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৩

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’&...

image

পঞ্চগড়ে অবসরপ্রাপ্ত তিন মউশিক শিক্ষক ও দুই কেয়ারটেকারকে ...

৪

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক ...

image

বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানীর ব্যবস্থা করলেন যুবদল সম...

৫

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শি...

  • company_logo