• সমগ্র বাংলা

পাকুরিয়ায় কাদা-ধুলোয় বন্দি জনজীবন

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ সকাল হলেই শুরু হয় লড়াই-স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী কিংবা বৃদ্ধ সবাইকে একটাই পথে এগোতে হয়; আর সেই পথই এখন পাকুরিয়া গ্রামের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা। গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই গ্রামে প্রধান সড়কটি যেন উন্নয়নের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়া এক নাম।

গ্রামজুড়ে উন্নয়নের নানা চিত্র চোখে পড়লেও পাকুরিয়ার এই সড়ক যেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভেঙে পড়েছে। কোথাও ইট উঠে গেছে, কোথাও বড় গর্তে জমে আছে পানি—যা বর্ষা মৌসুমে পরিণত হয় চলাচলের অনুপযোগী কাদার সমুদ্রে।

স্থানীয়দের ভাষায়, “রাস্তা মানেই এখন দুর্ভোগের নাম।” দিনের বেলায় ধুলার ঝড়, আর বৃষ্টিতে কাদার রাজত্ব-এই দুইয়ের মাঝেই চলছে গ্রামটির মানুষের জীবন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া কিংবা কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

গ্রামের বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শাকিল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ছোটবেলা থেকে এই রাস্তার একই অবস্থা দেখে বড় হয়েছি। এখনো কোনো পরিবর্তন নেই। উন্নয়ন শুধু আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ।”

স্থানীয়দের দাবি, পাশের এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও পাকুরিয়া বারবার অবহেলিত থেকে যাচ্ছে। দ্রুত আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে টেকসই সড়ক নির্মাণই এখন তাদের একমাত্র দাবি।

এদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুবকর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়কটির অবস্থা জানতে পেরেছেন। এটি আইডিভুক্ত কিনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত থাকলে এলজিইডির মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে, আর না থাকলে বিকল্পভাবে উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.টি.এম কামরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে লিখিত আবেদন পেলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাকুরিয়ার মানুষ এখন আর আশ্বাসে থেমে থাকতে চান না। তাদের চোখে এখন একটাই প্রত্যাশা-কাদামাখা এই সড়ক থেকে মুক্তি, আর একটি স্বাভাবিক চলাচলের পথ।

মন্তব্য (০)





image

দিনাজপুরের রুদ্রাণী সীমান্তে ৮৩ হাজার টাকা মূল্যের যৌন উত...

১

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের রুদ্রাণী সীমান্তে ৮৩ হাজ...

image

বগুড়ায় ‎প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় আ. লীগ নেতা মা...

২

বগুড়া প্রতিনিধি : ‎কারাবন্দী হওয়ার প্রায় ১৬ মাস পর ...

image

পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

৩

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’&...

image

পঞ্চগড়ে অবসরপ্রাপ্ত তিন মউশিক শিক্ষক ও দুই কেয়ারটেকারকে ...

৪

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক ...

image

বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের সুপেয় পানীর ব্যবস্থা করলেন যুবদল সম...

৫

বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় সুলতানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শি...

  • company_logo