• লাইফস্টাইল

পেটের জন্য টক দই কতটা উপকারী?

  • লাইফস্টাইল

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : টক দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পেটের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত কার্যকরী। এটি আপনার শরীরের হজমশক্তি বাড়ায়, গ্যাস-অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং ডায়রিয়া কিংবা সংক্রমণের পর অন্ত্রের স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরাতে সাহায্য করে। দই নিয়মিত খেলে পেটের প্রদাহ কমে যায় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

সে জন্য সুস্থ থাকতে অন্ত্রের কিংবা পেটের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। আর পেটের বন্ধু হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই দইয়ের কদর বেশি। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও বলছে— দইয়ে থাকা ‘প্রোবায়োটিক’ বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া হজমপ্রক্রিয়াকে সচল রাখতে এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনন্য।

তবে প্রশ্ন হচ্ছে— সরাসরি টক দই খাওয়া ভালো নাকি দইয়ের ঘোল খাওয়া ভালো? এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, দুটিরই গুণাগুণ থাকলেও শারীরিক অবস্থা ভেদে এর উপযোগিতা ভিন্ন হতে পারে। আর সুস্থ পেটের জন্য দই কিংবা ঘোল— দুটিই সুপারফুড। তবে নিজের শারীরিক প্রয়োজন বুঝে সঠিকটি বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

জেনে নিন দইয়ের উপকারিতা

প্রোবায়োটিকের সহজ উৎস হচ্ছে টকদই। সকালের নাস্তায় কিংবা দুপুরের খাবারের পর এক বাটি টকদই খাওয়ার অভ্যাস হজমশক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করে। সেই সঙ্গে ক্যালশিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ টকদই হাড় ও দাঁত মজবুত করতে এবং পেশি গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘমেয়াদে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন বা কোনো সংক্রমণ থেকে সেরে উঠছেন, তাদের দ্রুত সুস্থতায় টকদই অত্যন্ত কার্যকর।

জেনে নিন পানীয় হিসেবে ঘোলের উপকারিতা

পুষ্টিগুণের বিচারে টকদইয়ের চেয়েও ঘোল কিংবা ‘বাটার মিল্ক’ বেশি সহজপাচ্য। দই ফেটিয়ে তাতে পুদিনা, বিট লবণ, জিরা গুঁড়ো ও আদা মিশিয়ে তৈরি ঘোল শরীরকে আর্দ্র (হাইড্রেটেড) রাখতে সাহায্য করে। যাদের দুগ্ধজাত খাবারে কিছুটা অ্যালার্জি (ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স) রয়েছে, তাদের জন্য দইয়ের চেয়ে ঘোল বেশি নিরাপদ। এ ছাড়া খাবারে অরুচি দূর করতে ঘোলের জুড়ি নেই।

শারীরিক ভিন্নতা অনুযায়ী দই কিংবা ঘোল কার জন্য কোনটি শ্রেয়—

  • ওজন নিয়ন্ত্রণে: যারা দ্রুত মেদ ঝরাতে চান, তাদের জন্য ঘোল বেশি উপযোগী। কারণ এতে দইয়ের তুলনায় ক্যালোরি ও ফ্যাটের পরিমাণ বেশ কম থাকে।
  • গ্যাস-অম্বল সমস্যা: নিয়মিত অ্যাসিডিটি বা বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভোগা রোগীদের জন্য ঘোল কিংবা পাতলা ছাঁচ বেশি আরামদায়ক।
  • শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি: দীর্ঘদিনের হাঁপানি কিংবা সিওপিডির সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের দই এড়িয়ে চলাই ভালো। দই শ্লেষ্মা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এসব ক্ষেত্রে ঘোল তুলনামূলক নিরাপদ।
  • শিশুর জন্য: বাড়ন্ত শিশুদের হাড়ের গঠন ও পর্যাপ্ত প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সরাসরি টকদই খাওয়ানো বেশি ফলপ্রসূ।

মন্তব্য (০)





image

হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির সুস্থতায় উপকারী খেজুর, বলছেন বিশে...

নিউজ ডেস্ক : পুষ্টিগুণ ও স্বাদে ভরপুর খাবারের তালিকায় খেজুরে...

image

কখন তরমুজ খাওয়া উচিত, কখন হতে পারে বিপদ

নিউজ ডেস্ক : তীব্র গরমে শরীর ঠান্ডা রাখা ও পানিশূন্যতা পূরণে তরমুজ খুবই ...

image

বেড়েছে বজ্রপাত, নিজেকে নিরাপদ রাখবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ বর্ষা মানেই বজ্রপাতের উঁকিঝুঁকি। প্রক...

image

থ্যালাসেমিয়া: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি, প্রতিরোধে...

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া এখন একটি বড় জনস্বাস্থ্...

image

বৈশাখে বাড়িতে অতিথি, আপ্যায়ন করুন আম ও দইয়ের লাচ্ছি দিয়ে

নিউজ ডেস্ক : বৈশাখে বৃষ্টির বদলে শুরু হয়েছে কাঠ ফাটা রোদ। এই...

  • company_logo