• লিড নিউজ
  • জাতীয়

বাংলাদেশকে ঋণ ফাঁদে পড়া এড়াতে হবে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে বাংলাদেশকে ‘ঋণ ফাঁদে’ পড়া থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

‎তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় বড় প্রকল্পের জন্য আমরা আর ঋণ নিতে চাই না। বিশ্বব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান অনেক প্রকল্পের প্রস্তাব দেয়। তার মধ্যে যেগুলো প্রকৃত অর্থে উচ্চ অগ্রাধিকারভুক্ত, সেগুলো বিবেচনায় নেয়া হবে। তবে এখন থেকে প্রতিটি বিষয় গভীরভাবে আলোচনা ও সতর্কভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

‎রোববার রাজধানীতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

‎পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় স্বার্থে একান্ত প্রয়োজনীয় এবং দেশীয় সম্পদ বা দক্ষতা দিয়ে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়—এমন প্রকল্প ছাড়া সরকার আর ঋণনির্ভর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করতে চায় না। এ লক্ষ্যে সরকার বড় আকারের বিদেশি ঋণনির্ভর প্রকল্প থেকে সরে আসার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

‎ড. মাহমুদ বলেন, কিছু প্রকল্প প্রথম দেখায় জরুরি মনে হলেও বাস্তবে তা বড় ঋণনির্ভর প্রকল্পের যৌক্তিকতা তৈরি করে। উদাহরণ হিসেবে তিনি দূষণ পরিমাপ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, দূষণ পরিমাপ করা খুব জটিল কিছু নয়। এর জন্য ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি ও বিদেশি পরামর্শকের প্রয়োজন নেই।

‎তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণের ফলে বিদেশি ঋণের সুদের হার বেড়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে ঋণকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে। তাই যতটা সম্ভব নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভর করতে চায় সরকার।

‎পরিকল্পনা উপদেষ্টা আরও বলেন, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মতো বহুপাক্ষিক দাতা সংস্থাগুলো আকর্ষণীয় নাম ও নকশায় প্রকল্প প্রস্তাব দেয়। কিন্তু এখন থেকে কঠোর যাচাই ছাড়া এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।

‎তিনি বলেন, যেসব প্রকল্প দেশীয় অর্থায়ন বা প্রযুক্তিতে সম্ভব নয়, কেবল সেগুলোই আমরা ঋণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবো। বাকি সব নিজস্ব সম্পদ দিয়ে হলেও ছোট পরিসরে করা হবে।

‎ড. মাহমুদ জানান, এটি সরকারের একটি সুস্পষ্ট নীতিগত অবস্থান, যা ভবিষ্যৎ সরকারগুলোর জন্যও দিকনির্দেশনা হিসেবে থাকবে। তিনি বলেন, অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে কোনো সুফল বয়ে আনে না। ঋণের দুষ্টচক্রে আটকে পড়ার কোনো মানে নেই বলেন তিনি।

‎পরিকল্পনা উপদেষ্টা জানান, বিদেশি ঋণ মূলত বড় অবকাঠামো প্রকল্পে সীমিত রাখা হবে, যেগুলো দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে রপ্তানিমুখী শিল্প গড়ে তুলবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় নিশ্চিত করবে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সামাজিক খাতেও—বিশেষ করে শিক্ষা খাতে—ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করে এসেছে, যা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

‎এছাড়া তিনি জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সব মন্ত্রণালয়কে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হবে। যেসব প্রকল্পের মেয়াদ জুন বা ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, সেগুলো নির্ধারিত সময়েই শেষ করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য (০)





image

নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানম...

নিউজ ডেস্কঃ নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে সরকার অনা...

image

বিগত সময়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিদ্যুৎ খাত ক্ষতিগ্রস্ত...

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ...

image

দেশের প্রতিটি বিভাগে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ...

নিউজ ডেস্কঃ দেশের প্রতিটি বিভাগে আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স ...

image

‎অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হলে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হলে ভারত সফরে যাবেন ন...

image

‎বাংলাদেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বিএনপ...

‎নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তু...

  • company_logo