প্রতীকী ছবি
দিনাজপুরে প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের খানসামায় শষ্য ক্ষেত থেকে একজন গৃহবধূ্র লাশ উদ্ধার করেছে স্হানীয় থানা পুলিশ। ঘটনার পর থেকে আত্বগোপনে থাকা স্বামীকেই হত্যাকারি হিসেবে সন্দেহ পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের।
গৃহবধু আনিছা বেগম (১৮) খানসামার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ইলিয়াস হাজীপাড়ার বাসিন্দা মৃত আলমের মেয়ে।
তার স্বামী একই এলাকার দুবলিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ ইসলাম।
খানসামা থানার ইনচার্জ নাজমুল কাদের হক জানান, প্রেমের সম্পর্কে প্রায় দেড় বছর আগে কোর্ট ম্যারিজে একই এলাকার দুবলিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মাহফুজ ইসলামের সাথে ঘর বেধেছিল আনিছা বেগম। বিয়ে মেনে নেননি ছেলের পরিবার। একারনে ঘর জামাই হিসেবে সংসার জীবন শুরু করে দম্পতি। কিছু সময় ভাড়াটে বাড়ীতে বসবাস করেছিল তারা। জীবিকার তাগিদে সৈয়দপুরের ইপিজেট চাকুরি করতো তারা। কয়েকদিন আগে শ্বশুরালয়ে ফিরে জমানো ২০ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা ছিল মাহফুজ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্ত্রীকে নিতে একটি ইজিবাইকসহ শ্বশুরবাড়ীতে ফিরে আসে সে। স্ত্রীকে নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় তারা। তাদের অবস্হান জানতে রাত ১১ টার দিকে মাহফুজের মোবাইল নম্বরে কোল দেয় শ্বশুরবাড়ীর আত্বীয় স্বজন। রিসিভ করে সে জানিয়েছিল স্ত্রঁি আনিছাকে নিজের ঠিকানায় না দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে সে। রাত কেটে আজ সকালে বাড়ীর পাশে শষ্য ( ভূট্রা) ক্ষেতে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখতে পান প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে দিনাজপুরের মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরন করেছেন তারা।
সুরতহাল রিপোর্টে লাশ নাক গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
তার স্বামী মাহফুজের সাথে যোগাযোগের জন্য কোল দিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়েছেন তিনি। ধারনা করা হচ্ছে মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্বগোপন করেছে সে। স্বামীই তাকে হত্যা করেছে বলে ধারনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বগুড়া প্রতিনিধি : সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র ন...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: “তরুণ...
পাবনা প্রতিনিধিঃ রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে দশ লাখ টাকা মূল...
লালমনিরহাট প্রতিনিধি : লালমনিরহাটে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার উদ্ধোধন করা হয়ে...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহর থানা পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানে...

মন্তব্য (০)