ছবিঃ সিএনআই
সাতকানিয়া প্রতিনিধিঃ প্রতিটি স্টল সাজানো হয়েছে দেশের ঐতিহ্যবাহী বাহারি ও সুস্বাদু পিঠায়। চিতোই, পাকানো, পাকোয়ান, পক্কন, পাটিসাপটা, কুশলি, ভাপা, ভাত পিঠা, কাটা পিঠা, নকশি, পুলি, দুধ পিঠা, লাউ পায়েস, ছিট পিঠা, লবঙ্গ পিঠা, গোকুল, রসপুলি পিঠাসহ প্রায় দুই শ' রকমের পিঠা রয়েছে পুরো মেলা প্রাঙ্গণে। পিঠামোদী দর্শকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। পিঠাঘর দিয়ে সাজানো হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ। জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদ প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আয়োজন করেছে‘ পিঠা উৎসব ১৪৩০' (১২ ফেব্রুয়ারি) মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় এ উৎসবের উদ্বোধন করেন, সংসদ সদস্য এম এ মোতালেব এমপি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাস। আরো উপস্থিত ছিলেন,
সাতকানিয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শিবলী নোমান। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত সিদ্দিকী ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান আনজুমানা আরা, পৌরসভা মেয়র জোবায়ের।
এসময় বক্তা'রা বলেন, কোন বাঙালী আছে যে পিঠা খেতে পছন্দ না করে? শীত এলে তো বাংলার ঘরে ঘরে পিঠা বানানোর ধুম পড়ে যেত। বাংলার শীতকাল আর পিঠা যেন একসূত্রে গাঁথা। কৃষকের ঘরে হেমন্তে নতুন ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় পিঠা তৈরির কাজ। চলতে থাকে তা শীতকালজুড়ে। শীতে খেজুরের রস পিঠাকে করে তোলে আরও রসালো ও সুস্বাদু। কিন্তু সব পিঠা তৈরিতে খেজুর রসের বা খেজুরের গুড়ের ব্যবহার করা হয় না। বেশিরভাগ পিঠাই মিষ্টিপ্রধান, কিছু পিঠা ঝালজাতীয়। তবে যে পিঠাই তৈরি করা হোক না কেন, পিঠা তৈরির মূল উপকরণ চালের গুঁড়া। পিঠা বাঙালী জীবন ও সংস্কৃতির এক অপরিহার্য উপাদান।
পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনা শহরের মধ্যে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুত...
বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর সীমান্ত থে...
বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষ...
ফরিদপুর প্রতিনিধি: মালদ্বীপপ্রবাসী স্বামীর ওপর অভিমান করে নি...
বগুড়া প্রতিনিধি : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র ...

মন্তব্য (০)