ছবিঃ সিএনআই
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : ক্যাশলেস সোসাইটি গড়তে লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহারে সরকার শত কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যেই বাংলা কিউআর ঠেকাতে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এজেন্টদের মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে বিকাশের ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের প্রতিনিধি। এজেন্টদের অভিযোগ তাদের জানানো হয়েছে যেসব এজেন্টের দোকানে বাংলা কিউআর কোড থাকবে, তাদের সঙ্গে ব্যবসা করবে না বিকাশ।
নাম প্রকাশ প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এজেন্ট জানান, সম্প্রতি বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের গোপালপুর, ধনবাড়ী ও মধুপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার মাঠ পরিদর্শনে এসে বাংলা কিউআর ব্যবহারকারীদের তালিকা নিয়ে যান। এর পরদিন গোপালপুরের সকল এজেন্টকে বাংলা কিউআরে লেনদেন না করার জন্য শক্তভাবে মৌখিক নির্দেশ দেন। যারা বাংলা কিউআরে লেনদেন করবে, তাদের সঙ্গে বিকাশ ব্যবসা করবে না বলেও জানানো হয়।
হাউসের এক প্রতিনিধি জানান, উর্ধ্বতনরা ভিজিটে এসে এজেন্টের দোকানে বাংলা কিউআর দেখলে, মাঠ পর্যায়ে চাপ প্রয়োগ করা হয়।
এদিকে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর পেমেন্ট সিস্টেম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর কোড থাকতে হবে।
এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতেও বিপাকে পড়তে হবে ব্যবসায়ীদের।
এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে রুবেল মজুমদার একজন এজেন্ট দাবি করেন, বাংলা কিউআর রাখার কারণে আমার এজেন্ট বন্ধ করে দিয়েছে। তারা বলেছে, বিকাশের ব্যবসা করতে হলে বাংলা কিউআর আপনার দোকানে রাখা যাবে না। তার দাবি, ফেনীর ডিস্ট্রিবিউশন হাউস এ কাজটি করেছেন।
মোবাইল ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বাংলা কিউআরে পেমেন্ট করা যায়। এতে নগদ টাকা বহন ও জাল টাকার ঝুঁকি মুক্ত হয়। ব্যবসায়ীদের কিউআর কোডে লেনদেনে উৎসাহিত করতে ১ অক্টোবর হতে প্রণোদনার মাধ্যমে চার্জ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
কোনাবাড়ির বাসিন্দা আল-আমিন বলেন, বাংলা কিউআর আসায় অনেক সুবিধা হয়েছে, আগে ভাংতি টাকা না থাকলে দোকানে ২/৪টাকা বেশি টাকা দিয়ে আসতে হতো। এর মাধ্যমে এসব বন্ধ হয়েছে।
টেলিকম ব্যবসায়ী জাহিদ হোসেন বলেন, ক্যাশ আউটের বদলে বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়েছে, এতে বিকাশের ব্যবসা কমে যাওয়ায় মৌখিক নির্দেশনা বিকাশ থেকে দিয়েছে এটা সত্য। তিনি আরও বলেন, এনপিএসবি লেনদেনেও বিকাশ বাধাগ্রস্ত করছে। এনপিএসবিতে সাড়ে আট টাকা খরচে টাকা তোলা যায়, তাই বিকাশ তুচ্ছ অজুহাতে ইউজারদের এনপিএসবি সুবিধাও বন্ধ দিচ্ছে বলে অভিযোগ তার।
গোপালপুর উপজেলার সুপারভাইজার হুমায়ূন কবির জানান, কোন এজেন্ট পয়েন্টে যদি বাংলা কিউআর ইউস করে আমাদের লেনদেনটা একটু খারাপ হয়, সেজন্য এজেন্টদের বলা হয় বাংলা কিউআরে লেনদেনটা না কইরা আপনি এজেন্টের প্রতি আকৃষ্ট হন। ছোট লেনদেনে আমাদের আপত্তি নেই, বড় লেনদেন আমার কাছে অনৈতিক মনে হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিকাশের কমার্শিয়াল বিভাগের ডিস্ট্রিবিউশন এন্ড রিটেইল বিজনেসের এরিয়া ম্যানেজার এবিএম সাইদুল গণি মুঠোফোনে বলেন, এ বিষয়ে কোনো কোয়ারি থাকলে বিকাশের মিডিয়া বিভাগের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা এজেন্ট হ্যান্ডেল করি, মিডিয়া নিয়ে আমরা কাজ করি না।
দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ফুলবাড়ী এবং কাহারোল উপজেলা এ...
পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনায় গাড়িতে করে পাচারের সময় ৩৪ কেজি ৮০০ ...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : বিশ্ব শান্তি, সর্বজীবের কল্যাণ ও ধর্মীয়...
বগুড়া প্রতিনিধিঃ চীনের ১৪০তম ক্যান্টন ফেয়ারকে কেন্দ্র করে ব...
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের গ...

মন্তব্য (০)