ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি থেকে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে আরও সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘাঁটিগুলো ইসরাইল ও আশপাশের দেশে স্থানান্তর করা। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সাবেক প্রধান জেনারেল ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেনজি এমন মন্তব্য করেছেন। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের
গত সপ্তাহে জিউইশ ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি অব আমেরিকার (জিনসা) এক ওয়েবিনারে তিনি বলেন, ‘কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষই ইরান থেকে মাত্র ১০০ মাইল দূরে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে সেন্টকমের ফরওয়ার্ড সদর দপ্তর রাখার সিদ্ধান্ত নিত না। অথচ সেটাই এখনো রয়েছে।’
২০১৯ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ম্যাকেনজি জানান, ২০২২ সালে তিনি এবং অন্য কর্মকর্তারা বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করেছিলেন যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই এসব ঘাঁটি পশ্চিম দিকে, অর্থাৎ ইসরাইল ও মিশরের মতো দেশে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
তার ভাষায়, ‘আমরা বাইডেন প্রশাসনকে বলেছিলাম, ইরানের সঙ্গে সংঘাত হলে যেন আমরা পশ্চিমে সরে যেতে পারি। এজন্য ইসরাইল ও মিশরসহ অন্য কিছু দেশে ঘাঁটি স্থানান্তরের কথা ভাবা উচিত।’ তবে ইডেন প্রশাসন এই প্রস্তাব ‘কঠোরভাবে’ প্রত্যাখ্যান করেছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
ম্যাকেনজির মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সামরিক ঘাঁটির কাঠামো এখন অনেকটাই পুরোনো বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার পরিকল্পনা, যখন তেলসমৃদ্ধ উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে সম্ভাব্য সোভিয়েত আগ্রাসনের আশঙ্কা ছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন সামরিক অভিযানের সময়ও একই কাঠামো বজায় রাখা হয়।
তার এই মন্তব্য গত জুনে প্রকাশিত মিডল ইস্ট আই-এর এক প্রতিবেদনের সঙ্গে মিল রয়েছে। ওই প্রতিবেদনে সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা ও বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটির বর্তমান বিন্যাস নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান কার্যত যুক্তরাষ্ট্রকে উপসাগরীয় উপকূল থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য করেছে। মিডল ইস্ট আই প্রথম জানায়, চলতি বছরের মার্চে সৌদি আরবের তাইফ বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি পায় যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে রিয়াদের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া উপসাগরীয় উপকূলজুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিও ইরানের হামলায় উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক : সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে মঙ্গলবার বিস্ফোরক ডিভ...
নিউজ ডেস্ক : ইরানের কোম শহরের পবিত্র জামকারান মসজিদে দেশটির ...
নিউজ ডেস্ক : গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ছড়ি...
নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হওয়ায় আন্তর্...
নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানি জাত...

মন্তব্য (০)