ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : কাতারের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির রাজনীতি বিষয়ের সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান ভূ-রাজনীতির অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টির প্রচেষ্টা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
অধ্যাপক মাসগ্রেভের মতে, ইরানের এই ধরণের পদক্ষেপ জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশনের নীতিগুলোকে সরাসরি লঙ্ঘন করে। আন্তর্জাতিক এই আইন অনুযায়ী, যেকোনো আন্তর্জাতিক নৌপথে সব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজের অবাধ ও নিরাপদ যাতায়াতের অধিকার রয়েছে। ইরান এই আইন অমান্য করায় বৈশ্বিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং ক্ষতিকর নজির সৃষ্টি হচ্ছে।
এই সংকটের প্রভাব কেবল হরমুজ প্রণালি বা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর নেতিবাচক প্রতিধ্বনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্বের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি মালাক্কা প্রণালী, সুয়েজ খাল বা বাব আল-মান্দাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ ‘চোকপয়েন্ট’ বা নৌপথগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। একটি দেশ যদি আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে কোনো নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, তবে অন্যান্য অঞ্চলে থাকা সামুদ্রিক পথগুলোর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাও হুমকির মুখে পড়বে।
মাসগ্রেভ একটি বাস্তবসম্মত উদাহরণ দিয়ে সতর্ক করেছেন যে ইরানের এই একপাক্ষিক আচরণ যদি বিশ্ব সম্প্রদায় মেনে নেয়, তবে বিশ্বের অন্যান্য ক্ষমতাধর দেশগুলোও নিজেদের অঞ্চলের নৌপথে একই ধরণের অনৈতিক দাবি করতে উৎসাহিত হবে। যেমন, ভবিষ্যতে যদি স্পেন একইভাবে ভূমধ্যসাগরে জাহাজ প্রবেশ ও প্রস্থানের ওপর নিজস্ব আইন বা নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেয়, তবে তা বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
নিউজ ডেস্কঃ উগান্ডার সবচেয়ে প্রভাবশালী দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্...
নিউজ ডেস্ক : উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান পাল্টা-পাল্টি হামলার মধ্...
নিউজ ডেস্ক : ফিলিস্তিনের গাজায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্...
নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে ...
নিউজ ডেস্ক : টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়ে...

মন্তব্য (০)