• লাইফস্টাইল

ডিহাইড্রেটেড জেনারেশন: সময়মতো পানি পান না করলে যা হয়

  • লাইফস্টাইল

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : আধুনিক জীবনযাপন আমাদের শরীরে পানি পিপাসা অনুভব করার পদ্ধতিকেও বদলে দিয়েছে। তরুণ প্রজন্ম বেশিরভাগ সময় কাটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে— ল্যাপটপ আর মোবাইল নিয়ে। টাইপিং, স্ক্রোলিং, ডিজাইনিং-এ মস্তিষ্কে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে, পানির তেষ্টার সংকেত বুঝতেই পারে না। যখন বুঝতে পারেন যে, এবার একটু পানির তেষ্টা পেয়েছে, ততক্ষণে আপনার শরীর ডিহাইড্রেশনের দিকে এগিয়ে যায়। আর এ ধরনের সমস্যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে খুব বেশি। তাই এই তরুণ প্রজন্মকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘ডিহাইড্রেটেড জেনারেশন’।

কারণ মোবাইলের স্ক্রিনে সবসময়ে ভেসে উঠছে ওয়েলনেস কন্টেন্ট। রকমারি বোতল কিনেছেন। অথচ সময়মতো পানিই খান না? সে কারণে কম বয়সিদের ‘ডিহাইড্রেটেড জেনারেশন’-এর তকমা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোবাইল ও ল্যাপটপের সামনে দীর্ঘক্ষণ তারা বসে থাকছেন। সবসময়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে থাকছেন। কিন্তু পানি খাওয়ার কথা তাদের আর মাথায় নেই। তাই কম বয়সিদের মধ্যে মাথাব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। 

ডিহাইড্রেশনের লক্ষণগুলো হচ্ছে—ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও ঠোঁটের চারপাশ শুকিয়ে যাওয়া, পেশিতে ক্র্যাম্প, কোষ্ঠকাঠিন্য, খিটখিটে মেজাজ এবং গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব—এগুলো ডিহাইড্রেশনের খুব সাধারণ লক্ষণ। 

দিনের পর দিন পানি কম খেলে শারীরিক সমস্যা এর দ্বিগুণ হতে পারে। হজমে সমস্যা থেকে শুরু করে কিডনিতে স্টোন হওয়া বা ইউটিআই হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। 

সে জন্য শরীরের হাইড্রেশন বজায় রাখতে গুনে গুনে আট গ্লাস পানি খাওয়া সম্ভব নয়। তবে কিছু কৌশল কাজে লাগালে শরীরের হাইড্রেশন বজায় রাখা সম্ভব। 

১. প্রথমেই ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করুন। 

২. এরপর হাতের কাছে সবসময়ে পানিভর্তি বোতল রাখুন।

৩. চা-কফি খাওয়ার আগে পানি পান করুন।

৪.  খাদ্যতালিকায় পানির পরিমাণ বেশি এমন ফল ও সবজি রাখুন।

৫. সোডা বা চিনি মিশ্রিত পানীয়ের বদলে স্যুপ, তাজা ফলের রস ও স্মুদি খান।

তবে মনে রাখবেন— সব পানীয় আপনার শরীরকে হাইড্রেট করে না। অনেকে মনে করেন, পানির বদলে তরল পানীয়ও শরীরকে হাইড্রেট করে। কিন্তু সব পানীয় নয়। চা-কফি, এনার্জি ড্রিঙ্কস, সোডাযুক্ত পানীয়, প্যাকেটবন্দি ফলের রস ইত্যাদি শরীরকে হাইড্রেট করে না। বরং  এগুলো ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায়। যেমন চা-কফি খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। চিনি মেশানো পানীয় রক্তে শর্করার মাত্রা এবং প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়। সুতরাং পানির  বিকল্প এ ধরনের পানীয় হতে পারে না। 

মন্তব্য (০)





image

ঈদে মেহেদির রং গাঢ় রাখার সহজ টিপস

নিউজ ডেস্ক : ঈদের সাজ মানেই হাতে মেহেদির রঙিন ছোঁয়া। এই ঐতিহ্যবাহী সৌন্দ...

image

কিডনির পাথর দূর করতে যেসব ফল উপকারী

নিউজ ডেস্ক : কিডনি স্টোন একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা, যা তীব্র ব্যথা ও ...

image

ঈদের দিনে শাহি স্বাদের খাবার ফিরনি, জেনে নিন রেসিপি

নিউজ ডেস্ক : আর মাত্র কয়েক দিন ঈদ। এর পরেই ঈদের আনন্দে মেতে উঠবে পুরো মু...

image

শরীরে শক্তি পেতে নিয়মিত যেসব ভিটামিন খেতে হবে

নিউজ ডেস্ক : আজকাল আমরা সবাই শক্তিশালী থাকতে চাই, কিন্তু ক্ল...

image

ইফতারের সময় গ্যাসের ওষুধ খাওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

নিউজ ডেস্ক : রমজান মাসে ইফতার কিংবা সেহরির আগে অনেকেই খালি পেটে গ্যাসের ...

  • company_logo