• আন্তর্জাতিক

ভারতজুড়ে ৩২ গাড়িতে ৩২ হামলার ছক!

  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : ভয়ংকর তথ্য উঠে এসেছে দিল্লির লাল কেল্লা বিস্ফোরণ তদন্তে। একটি, দুটি বা তিনটি নয়- বিস্ফোরক বোঝাই ৩২টি গাড়িতে ভারতের ৩২টি স্থানে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ছিল সন্ত্রাসীদের। ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভাঙার দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার জন্য। লাল কেল্লা বিস্ফোরণ তদন্তে জড়িত এক নির্ভরশীল সূত্র বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্যকর এই তথ্য দিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে। সোমবারের ওই বিস্ফোরণে নিহত উমরের সহযোগী আদিল আহমেদ রাথার, মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিনা সাঈদের গ্রেফতারের পরই গোটা জঙ্গি মডিউলটির ছক ফাঁস হতে শুরু করে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলা চালানোর জন্য আটজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। দুজন করে একেকটি দল তৈরি করে হামলার পরিকল্পনা করা হয়। ওই দলগুলো ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে ভাগ হয়ে বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল। ওই সূত্রের আরও দাবি, চিকিৎসক মুজাম্মিল, উমর, আদিল ও শাহিনা একযোগে ২০ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। তারপর উমরের হাতে সেই টাকা তুলে দেওয়া হয় হামলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য। গুরুগ্রাম, নুহ এবং আশপাশের এলাকা থেকে বিস্ফোরক তৈরির সামগ্রী ‘এনপিকে’ কেনা হয়েছিল। শুধু তা-ই নয়, সিগন্যাল অ্যাপে একটি গ্রুপ তৈরি করেছিলেন উমর। সেই গ্রুপে দুই থেকে চারজন ছিলেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তকারীদের দাবি, বিস্ফোরণ ছকের নপথ্যে ছিল পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। ইতোমধ্যে চারটি গাড়ি উদ্ধার হয়েছে, হুন্ডাই আই ২০, মারুতি ব্রেজা, মারুতি ডিজায়ার ও ফোর্ড ইকোস্পোর্ট। এর মধ্যে আই ২০ গাড়িটিই সোমবার বিকালে লাল কেল্লার সামনে বিস্ফোরিত হয়, যাতে মৃত্যু হয় ১৩ জনের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে , গাড়িগুলো ইচ্ছা করেই পুরোনো এবং বহুবার বিক্রি হওয়া গাড়ি থেকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। মালিকানার হদিস পাওয়া কষ্টসাধ্য করতেই এই পরিকল্পনা। তদন্তে জানা যায়, বিস্ফোরণের জন্য গাড়িগুলোকে প্রস্তুত করা হচ্ছিল হরিয়ানার ফরিদাবাদের আল-ফলাহ মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে, যা এই জঙ্গি চক্রের প্রধান ঘাঁটি হিসাবে উঠে এসেছে।

ফরিদাবাদেই বুধবার গভীর রাতে একটি ফোর্ড ইকোস্পোর্ট উদ্ধার হয়। সেটির ভেতর এক যুবককে ঘুমন্ত অবস্থায় ধরা হয়- তাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। সোমবার বাজেয়াপ্ত হওয়া ডিজায়ার গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একে-৪৭ রাইফেল এবং বিপুল গুলির মজুত। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বিস্ফোরণের সময় উপস্থিত জঙ্গি উমর মোহাম্মদের ভুলের কারণেই আগেভাগে বিস্ফোরণ ঘটে। ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়েছে, সেই বিস্ফোরণেই মৃত্যু হয়েছে তার।

উমর ও তার দল পরিকল্পনা করেছিল, লাল কেল্লার পার্কিং লটে গাড়ি রেখে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। কিন্তু সোমবার পর্যটকদের জন্য লাল কেল্লা বন্ধ থাকায় পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে তারা। শেষ পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল বেছে নেয় লাল কেল্লার গেটের সামনের ব্যস্ত ট্রাফিক সিগন্যাল এবং মেট্রো স্টেশন চত্বর।

 

মন্তব্য (০)





image

তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ইউরোপ, ফ্রান্সে ১ হাজারের বেশি মানুষে...

নিউজ ডেস্ক : তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ইউরোপ। গত ২১ জুন থেকে এ পর্...

image

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনার জেরে ফের বাড়ল তেলের দাম

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পালটাপালটি হামলার জেরে মধ...

image

হামলা বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, মঙ্গলবার বৈঠক

নিউজ ডেস্ক : টানা তিনদিনের উত্তেজনার পর একে অপরের ওপর হামলা ...

image

দেশের দুই শীর্ষ গণমাধ্যম বন্ধের নির্দেশ দিলেন উগান্ডার সে...

নিউজ ডেস্কঃ উগান্ডার সবচেয়ে প্রভাবশালী দুটি গণমাধ্যম প্রতিষ্...

image

মার্কিন হামলার কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

নিউজ ডেস্ক : উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান পাল্টা-পাল্টি হামলার মধ্...

  • company_logo