• আন্তর্জাতিক

চীনে ‘এআই বুদ্‌বুদ ইতোমধ্যে ফেটে গেছে’, চার মাসে শেয়ারের দাম কমেছে ৪০ শতাংশ

  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ  মানবজাতির জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে, এটি মানুষের কর্মসংস্থান কেড়ে নেবে কি না এবং নিজেদের বাড়ির আশপাশে বিশাল ডেটা সেন্টার স্থাপনে মানুষ কতটা রাজি, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে।

এ ছাড়া এআইয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের আর্থিক ঝুঁকি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। বড় বড় কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীরা এ প্রযুক্তিতে ক্রমাগত আরও অর্থ ঢালছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ খাতের বিনিয়োগ প্রত্যাশিত মুনাফা দিতে ব্যর্থ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে ডটকম শেয়ারবাজার ধসের মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যখন প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজার অতিমূল্যায়িত হয়ে বিশৃঙ্খল অবস্থায় পড়েছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের আর্থিকবিষয়ক সাংবাদিক টম ওয়েস্টব্রুকের মতে, সেই পরিস্থিতি হয়তো ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এআই নিয়ে অতিরিক্ত আশাবাদের গল্প ওয়াল স্ট্রিট থেকে বহু দূরে, মূল ভূখণ্ড চীনের শেয়ারবাজারের লেনদেনকেন্দ্রগুলোতেই ভাঙতে শুরু করেছে।

৪৮০ বিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য উধাও

টম ওয়েস্টব্রুক একটি ভিডিওতে দেখিয়েছেন, চীনের এআই খাতের প্রধান শেয়ারবাজার সূচক স্টার ৫০ গত চার মাসে ৪০ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। এর ফলে শেয়ারহোল্ডারদের সম্পদের মূল্য কমেছে প্রায় ৪৮০ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, নাসডাক সূচকে পতনের পরিমাণ প্রায় ৬ শতাংশ।

তিনি বলেন, “সবচেয়ে জনপ্রিয় এআই শেয়ারগুলোর কয়েকটির দাম ধসে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডেটা সেন্টারে অপটিক্যাল সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, চিপ নির্মাতা এবং এআই বিপ্লবের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহকারী হিসেবে বিবেচিত কোম্পানিগুলো। গত কয়েক মাসে এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম ৫০, ৬০ কিংবা ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।”

তাঁর মতে, কয়েকটি কারণে এ বিক্রির প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, “কেউ কেউ চীনে কর পরিশোধের সময়সীমা ঘনিয়ে আসাকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যরা বলেছেন, এসব শেয়ারের দাম এমনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, যেন কোম্পানিগুলোকে সব ক্ষেত্রেই নিখুঁত সাফল্য অর্জন করতে হবে। দাম নির্ধারণের সময় ধরে নেওয়া হয়েছিল, বৈশ্বিক বাজার এসব পণ্য কেনা কখনো বন্ধ করবে না।

“কিন্তু এখন বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন যে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো তাদের ডেটা সেন্টারে চীনা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে চাইবে না। ফলে যেসব কোম্পানি বৈশ্বিক বাজার থেকে আয় করার আশা করেছিল, তাদের আয় হয়তো শেষ পর্যন্ত শুধু চীনের বাজারেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে।”

ওয়েস্টব্রুক বলেন, এ দরপতনের ধাক্কা খুচরা বিনিয়োগকারীদের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “যেসব কোম্পানির শেয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি কমেছে, সেগুলোর মধ্যে রোবট নির্মাতা জায়ান্ট ইউনট্রির মতো প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। খুচরা বিনিয়োগকারীদের কাছে এসব কোম্পানি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সময় ইউনট্রির শেয়ারের জন্য খুচরা বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে চাহিদা বরাদ্দের তুলনায় ৮ হাজার গুণ বেশি ছিল।

“এসব বিনিয়োগকারীর অনেকে শেয়ারের লেনদেন শুরু হওয়ার পর সেগুলো কিনেছিলেন। এরপর দাম ধসে পড়ায় তাঁদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে এবং অনেকের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাঁদের অনেকে মনে করেছিলেন, চীনা সরকারের সমর্থনপুষ্ট একটি খাতে বিনিয়োগ করা নিরাপদ সিদ্ধান্ত। এ সমর্থন তাঁদের এমন আত্মবিশ্বাস দিয়েছিল যে এসব শেয়ারের দাম কোনোভাবেই পড়ে যেতে পারে না।”

ওয়েস্টব্রুক বলেন, এসব ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে, এআই খাতে বিনিয়োগের ধরন বদলে যাচ্ছে। তহবিল ব্যবস্থাপকেরা এআই ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত সরঞ্জামের সরবরাহকারী, চিপ নির্মাতা ও অবকাঠামো নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন। এর পরিবর্তে এআই থেকে প্রকৃত মুনাফা কোথায় আসতে পারে, সেদিকে তাঁদের মনোযোগ বাড়ছে।

ওয়াল স্ট্রিটে বাড়ছে এআই শেয়ারের দাম

চীনের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের এআই কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগকারীরা ক্রমাগত আরও অর্থ বিনিয়োগ করছেন।

রাতভর লেনদেনে ওয়াল স্ট্রিটে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো শেয়ারের দাম বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শেয়ার নিয়ে নতুন করে উৎসাহ তৈরি হওয়ায় এ উত্থান ঘটে। এ সময় বাজারের বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত এবং এআই খাতের বড় কোম্পানিগুলোর আর্থিক ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলেন।

প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাকের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ারবাজার সূচকগুলো বেড়েছে। এআই নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ কাজে লাগিয়ে নাসডাকের এ উত্থানে ভূমিকা রেখেছে এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিকের আইপিওর জন্য আবেদন জমা দেওয়ার খবর। একই সঙ্গে এআই খাতে বিনিয়োগের জন্য নতুন বড় অর্থায়ন চুক্তির বিষয়ে ব্রডকমের ঘোষণাও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ব্রিফিং ডটকমের বিশ্লেষক প্যাট্রিক ও’হেয়ার বলেন, “দাম কমলে শেয়ার কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাজারকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এআই শেয়ারগুলো, বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি এবং বৃহৎ হাইপারস্কেলারের নামগুলো।”

সোমবার শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য দাখিল করা নথিতে ক্লড এআইয়ের মূল কোম্পানি অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তাদের আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। তবে একই সঙ্গে কোম্পানিটি সামনে বড় অঙ্কের মূলধনি ব্যয়ের কথাও জানিয়েছে।

এ সপ্তাহে ম্যাগনিফিসেন্ট সেভেনের সদস্য মাইক্রোসফট, অ্যালফাবেট ও অ্যামাজনের পাশাপাশি এসকে হাইনিক্স এবং স্যামসাংয়ের আর্থিক ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

ট্রেড নেশনের বিশ্লেষক ডেভিড মরিসন বলেন, “মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত একটি কোম্পানি শিগগিরই রেকর্ড গড়তে পারে এমন আইপিও নিয়ে আসতে পারে, এ বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সাহায্য করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এআই-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো বেশ অস্থির সময় পার করেছে।”

গত সপ্তাহের বেশির ভাগ সময় প্রযুক্তি খাতের শেয়ার চাপে ছিল। এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগ থেকে প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল বিনিয়োগকারীদের। পাশাপাশি উচ্চ সুদের হারের কারণে অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ত কোম্পানিগুলো সমস্যায় পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

তবে চলতি সপ্তাহে বাজারের আচরণ তুলনামূলক ইতিবাচক। অ্যানথ্রপিকের জন্য নতুন সক্ষমতা গড়ে তুলতে সিটি, ব্ল্যাকস্টোন ও মরগ্যান স্ট্যানলির সঙ্গে যৌথভাবে ৬৩ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন কাঠামো ঘোষণার পর ব্রডকমের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ বেড়েছে।

নাসডাক সূচক ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং ডাও সূচকও সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের শেয়ারের দাম ১০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে যাওয়ায় ডাও সূচকের উত্থান কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বোয়িং তাদের আর্থিক ফলাফল প্রকাশের পর শেয়ারের দামে এ পতন ঘটে।

এসকে হাইনিক্সের মুনাফা বৃদ্ধিতে এশিয়ার বাজারে উত্থান

আজ এশিয়ার শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ নির্মাতা জায়ান্ট এসকে হাইনিক্স জানিয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের পরিচালন মুনাফা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৩২ শতাংশ বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নত মেমোরি চিপের চাহিদায় ব্যাপক উল্লম্ফন এ প্রবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেওয়া নথিতে কোম্পানিটি জানিয়েছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে তাদের পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৮৩ দশমিক ৩৩ ট্রিলিয়ন ওন (৬২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার)।

একই সময়ে কোম্পানিটির নিট মুনাফা গত বছরের তুলনায় ২১৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৩৯ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন ওনে দাঁড়িয়েছে। আর বিক্রির পরিমাণ ছিল ১০৪ দশমিক ৬১ ট্রিলিয়ন ওন।

এক বিবৃতিতে এসকে হাইনিক্স বলেছে, “কোম্পানিটি বিশ্লেষণ করে দেখেছে, একটি ইতিবাচক চক্র তৈরি হয়েছে। এআইয়ের কারণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং সফটওয়্যার উন্নয়ন, গ্রাহকসেবা ও সার্চের মতো ক্ষেত্রে নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে এআইয়ের ব্যবহার আরও বাড়ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার জন্য উচ্চ ব্যান্ডউইডথ মেমোরি (এইচবিএম) চিপের বিশেষায়িত সরবরাহকারী এসকে হাইনিক্স। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিরও অন্যতম প্রধান স্তম্ভ প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্বজুড়ে এআই ডেটা সেন্টার নির্মাণের প্রতিযোগিতা কোম্পানিটির ব্যবসায়িক অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছে। যদিও এ খাতের কোম্পানিগুলোর মূল্যায়ন অতিরিক্ত বেড়ে গেছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ারবাজারে কী ঘটছে

লন্ডনে বেঞ্চমার্ক এফটিএসই ১০০ সূচককে নিচের দিকে টেনেছে এইচএসবিসি। ব্যাংকটির বড় অঙ্কের মুনাফা বাজারের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় শেয়ারের দাম ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে।

জার্মান গাড়ি নির্মাতা মার্সিডিজ-বেঞ্জ পুরো বছরের আয়সংক্রান্ত পূর্বাভাস কমিয়ে দেওয়ার পর ফ্রাঙ্কফুর্টে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। তবে দিনের বিকেলের লেনদেনে সামগ্রিকভাবে সামান্য বেড়েছে ডিএএক্স সূচক। প্যারিসের শেয়ারবাজারেও উত্থান দেখা গেছে।

এর আগে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারে শেয়ারের দাম বেড়েছিল। অ্যানথ্রপিকের আইপিওর জন্য আবেদন জমা দেওয়ার খবরও এ উত্থানে ভূমিকা রেখেছে।

চিপ নির্মাতা এসকে হাইনিক্স ও স্যামসাংয়ের শেয়ারের বড় ধরনের উত্থানের কারণে মঙ্গলবার সিউলের শেয়ারবাজার সূচক একপর্যায়ে ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। টোকিওতে টোকিও ইলেকট্রন, অ্যাডভানটেস্ট ও সফটব্যাংকের শেয়ারের দাম বাড়ায় জাপানের শেয়ারবাজার সূচক ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।

FOREX.com-এর ফিওনা সিনকোটা বলেন, “এক সপ্তাহের শুরুতে অ্যানথ্রপিকের আইপিওর আবেদন মূল্যায়ন করছেন বিনিয়োগকারীরা। এ সপ্তাহে একদিকে বিভিন্ন কোম্পানির আর্থিক ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে, অন্যদিকে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আসছে। এ পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের মনোভাব উন্নত হয়েছে।”

আইজি-র বিশ্লেষক ক্রিস বিউচ্যাম্প বলেন, “গত সপ্তাহে দেখা উত্থানগুলোর তুলনায় এবারকার উত্থান আরও টেকসই হওয়ার আশা এখনো রয়েছে। তবে এ সপ্তাহে মোকাবিলা করার মতো সামষ্টিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি এখনো প্রচুর, এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।”

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তবে সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকায় ডিসেম্বরে ফেডের বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ৭৮ শতাংশ।

এ প্রত্যাশার কারণে ডলারের দাম বেড়েছে।

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ব্যাংক অব জাপানও বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ঘোষণায় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে নতুন করে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শুরু হওয়া এবং ইসরায়েলিরা সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে তেলের দাম কমেছে।

 

 

মন্তব্য (০)





image

ইসরাইলে ফিলিস্তিনি নাগরিক, কারা তারা? কী ধরনের নিপীড়ন সইত...

১

নিউজ ডেস্ক : ইসরাইলে মোট জনসংখ্যার প্রায় এক পঞ্চমাংশ ফিলিস্ত...

image

নির্বাচনে আরব দলগুলোর বড় সাফল্যের পর নেতাদের গ্রেফতারের দ...

২

নিউজ ডেস্ক : ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ...

image

নেতানিয়াহুকে হটাতে বিরোধী জোটের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত ...

৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারক...

image

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্নের অভিযোগে পাকিস্তানের চতু...

৪

নিউজ ডেস্কঃ  পাকিস্তানের হাইকোর্টের অন্যতম বিশিষ্ট...

image

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনার বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন খা...

৫

নিউজ ডেস্কঃ  ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল...

  • company_logo