• সমগ্র বাংলা

বাকৃবিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চারা বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সংগৃহীত

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) যৌথ আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চারা বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হর্টিকালচার ফার্মের অ্যালিয়াম ফিল্ডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকার ৩০ জন কৃষককে ২০০টি করে পেঁয়াজের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এসময় কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পেঁয়াজ উৎপাদন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। “উন্নত কন্দের গুণমান, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণক্ষমতার জন্য পেঁয়াজের জার্মপ্লাজম বাছাই” শীর্ষক প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করছে কেজিএফ। প্রকল্পটির প্রধান গবেষক হিসেবে রয়েছেন  বাকৃবির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ এবং কো-প্রধান গবেষক হিসেবে রয়েছেন রাজশাহীর বরেন্দ্র স্টেশনের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ও ইনচার্জ, ওএফআরডি ড. মোঃ হাছান ওআলিউল্লাহ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবুর রহমান এবং কেজিএফের সিনিয়র স্পেশালিস্ট ড. মো. মনোয়ার করিম খান এবং বাকৃবির কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুম আহমদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. হাম্মাদুর রহমান। 

কর্মসূচির অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের হাতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উন্নতমানের চারা তুলে দেওয়া হয় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি, মানোন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং কৃষকদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবি উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের মধ্যে কৃষি শিক্ষার সবচেয়ে পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বমানের অন্যতম বড় কৃষিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি।

তিনি আরও বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের মানুষ সত্যিই ভাগ্যবান যে তাদের বাড়ির কাছেই এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়াশোনা করে এবং শিক্ষকরা বেতন পান। তাই জনগণের উপকার করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের দায়িত্ব। এখানকার প্রফেসররা কৃষকদের সাথে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন কৃষি কার্যক্রমে গবেষণা পরিচালনা করেন। ফসল, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ ও গাছপালা -এসব বিষয় নিয়ে নিয়মিত গবেষণা করা হয়। কারণ, গবেষণা ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শিক্ষকরা শুধু ক্লাস নেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেন না। তারা গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান তৈরি করেন। সেই গবেষণার ফলাফল শিক্ষার্থীদের শেখানো হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলো কৃষকদের মধ্যে প্রয়োগ করে বাস্তবে এর কার্যকারিতা যাচাই করা হয়।

মন্তব্য (০)





image

নড়াইলের সাতবাড়িয়ার বিরোধে পাটেশ্বরীর মানুষকে জড়ানোর অভিযো...

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের স...

image

মন্দির গুঁড়িয়ে দেয়ার হুমকির প্রতিবাদে বগুড়ায় মানববন্...

বগুড়া প্রতিনিধি: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রী রামচ...

image

বগুড়ায় শারিরিকভাবে অসুস্থ ফল ব্যবসায়ীদের মাঝে আর্থিক অনুদ...

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়া আমদানি- রপ্তানিকারক ও দেশি ফল আড়ৎদার ...

image

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপযাপন: টেকনাফে ৬ কিলোমিটারের ম্যারাথন

কক্সবাজার প্রতিনিধি: বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে &ldquo...

image

ঈশ্বরগঞ্জে বিদ্যুৎ গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়, অভিযোগে...

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ...

  • company_logo