• সমগ্র বাংলা

দিনাজপুরে খনন কর্মসূচি উদ্বোধন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের কাহারোলেরবলরামপুরে সাহাপাড়ায় প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচির স্হান পরিদর্শন করেছেন সমাজ কল্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী  এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন এমপি এবং পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি। আজ শুক্রবার দুপুরে খনন স্হানে পরিবেশ পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন তারা। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আক্তারুজ্জামান মিয়া এমপি , স্হানীয় এমপি মনজুরুল ইসলাম, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এমপি, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারি প্রতিষ্ঠান পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা।

ওই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সময় একই সাথে সারাদেশে ৫৩টি জেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধান মন্ত্রী।

স্থান পরিদর্শনে এসে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী  এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন এমপি বলেন, দলের নির্বাচনী অঙ্গীকারে ছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে যে সমস্ত খাল খনন করা হয়েছিল,  সেই সমস্ত খালেক অনেকগুলি ভরাট হয়ে গেছে। খালখুলি পুনঃ খননে বিগত সরকারগুলো কোন দ্বায়িত্ব নেয়নি। কৃষকের সেচ ব্যবস্হার উন্নয়ন এবং খাল নির্ভর অর্থনীতি মাছ হাঁস চাষ, খালের পাড়ে বৃক্ষ রোপন দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে পজেটিভ রোল প্লে করতে পারে খাল খনন বা পুনঃ খনন। জলাবদ্ধতা দুর করতে পারে, অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়া যায়। শুকনা মোওসুমে পানি ধরে রাখা যায়, এর মাধ্যমে সেচ সুবিধা পাওয়া যায় গ্রাইন্ড লেবেল ওয়াটার কম ব্যবহার হবে সার্ভেস ওয়াটার বেশী ব্যবহার হবে। তাহলে মরুভূমি হবার সম্ভাবনা কমে যাবে, এটা আমাদের উত্তরাঞ্চলের জন্য অতিব জরুরী।

উত্তরাঞ্চলে বৃক্ষ রোপন খুবই কম। অন্যান্য অঞ্চলে ২০ পার্সেন্ট হলেও উত্তরাঞ্চলে ৮ বা ৯ পার্সেন্ট। কিন্তু ২০ থেকে ২৫ পার্সেন্ট ফরেষ্ট থাকা উচিৎ।

বর্তমান প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল খাল খনন বা পুনঃ খননে। অর্থনীতি এবং সবুজ বিপ্লবকে সার্থক করতে চাইলে নির্বাচনী অঙ্গিকারের ধারাবাহিকতায় ১৬ মার্চ কাহারোলের সাহাপাড়ায় একই সাথে দেশেন ৫৩টি এলাকায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, সাড়ে ২২ কোটি টাকা খরচে ১২ দশমিক ২ কিলোমিটার ওই পুরাতন ওই খাল পুনঃ খননের ফলে প্রতি বছর রক্ষা পাবে ২টি বিলের ১৫শ একর জমির প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন আমন ধান।  নষ্ট হয়ে যাওয়া ধানের দাম প্রায় ২শ ৫ কোটি । খননের ফলে পাশাপাশি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে পানির অভাবে পড়ে থাকা অনাবাদী ১২শ হেক্টর জমি থেকে আসবে বাড়তি ফসল। খালের সেচের সুবিধায় আসবে ৪০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা।

মন্তব্য (০)





  • company_logo