ছবিঃ সিএনআই
নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের সম্মানজনক কর্মসংস্থান নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ শুরু করছে ক্রাউন প্লাজা গুলশান ঢাকা ও মজার ইশকুল।
রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে মজার ইশকুলের দুটি শাখা থেকে রানি ও ফাতেমা আক্তার মিম নামে দুই শিক্ষার্থী এই সুযোগ পাচ্ছে।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে এই উদ্যোগের আওতা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।
ঢাকার ব্যস্ত নগরজীবনের অগোচরে একসময় যেসব শিশু ফুটপাত, রেলস্টেশন কিংবা বস্তির কঠিন বাস্তবতায় বড় হচ্ছিল, তাদের অনেকেই আজ সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছে। কেউ হয়েছেন শিক্ষক, কেউ কাজ করছেন আন্তর্জাতিক মানের পাঁচ তারকা হোটেলে, কেউ আতিথেয়তা শিল্পের পেশাদার কর্মী হিসেবে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছেন। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে সামাজিক উদ্যোগ ‘মজার ইশকুল’।
২০১৩ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাত্রা শুরু করা মজার ইশকুল পথশিশুদের শিক্ষা ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। গত ১৪ বছরে সংগঠনটি শুধু শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিশ্চিত করেই থেমে থাকেনি; বরং শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, খাদ্য সহায়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে তাদের জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছে।
মজার ইশকুলের প্রতিষ্ঠাতা আরিয়ান আরিফ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য কখনোই শুধু শিশুদের বই হাতে তুলে দেওয়া ছিল না। আমরা চেয়েছি, তারা যেন সম্মানজনক অবস্থানে দাঁড়াতে পারে। আজ যখন দেখি আমাদের শিক্ষার্থীরা পাঁচ তারকা হোটেলে কাজ করছে এবং নিজের পরিবারকে সহায়তা করছে, তখন মনে হয় আমাদের স্বপ্ন বাস্তব হতে শুরু করেছে।’
ক্রাউন প্লাজা গুলশান ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার কার্তি ভিকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে ক্রাউন প্লাজা প্রথমবারের মতো নারী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মজার ইশকুলের ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে দুইজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যা আপাতত ছোট হলেও ভবিষ্যতে এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, সহায়তা দেওয়ার চেয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের পথও তৈরি হবে।’
মজার ইশকুলের শিক্ষা কার্যক্রম বর্তমানে ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুয়াকাটা ও ভোলার মনপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে।
এখানে শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, বই, পোশাক, খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষা, জীবন দক্ষতা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও তৈরি করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্ন...
নিউজ ডেস্ক : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধি...
বাকৃবি প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) তা...
বাকৃবি প্রতিনিধি : ‘ইসলামি শিক্ষা আন্দোলন ও ছাত্র সমস্...
বাকৃবি প্রতিনিধি -বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পশু ...

মন্তব্য (০)