• লিড নিউজ
  • অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি: সংকটে দেশের আমদানি-রপ্তানি

  • Lead News
  • অর্থনীতি

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ শুধু জ্বালানি নয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আমদানি-রপ্তানি খাতেও। আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো পরিবহন এবং বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে জাহাজে থাকা মধ্যপ্রাচ্যগামী কনটেইনারের উপর সারচার্জ আরোপ করেছে। এতে বাড়ছে আমদানি-রপ্তানি খরচ। এছাড়া হরমুজ প্রণালি ঘিরে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে পণ্য পরিবহনের বুকিং সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে অনেক শিপিং লাইন।

‎জ্বালানি তেল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয় সার, খনিজ পণ্যসহ অনেক কাঁচামাল। যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী ও আরব সাগরে ১৪০টি কনটেইনারবাহী জাহাজসহ বিপুল সংখ্যক জাহাজ আটকা পড়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে পণ্য বুকিং আপাতত বন্ধ রেখেছে শিপিং কোম্পানিগুলো। বন্দর ও ডিপোতে আটকে গেছে কোটি কোটি টাকার রপ্তানি পণ্য। এ কারণে লোকসানে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

‎চট্টগ্রাম সবজি ও ফলমূল রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফোরকান রুবেল বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ঈদের আগে প্রচুর চাহিদা থাকে। যেমন- টুপি, গার্মেন্টস পণ্য, মুড়ি, বিস্কিট, চানাচুর। কিন্তু বর্তমানে যুদ্ধের কারণে এগুলো সব আটকে গেছে। এক্সপোর্ট বন্ধ হয়ে আছে। যেগুলো প্রসেসিংয়ে ছিলো এগুলো ব্লক হয়ে আছে ফ্যাক্টরিতে। কোনো এক্সপোর্টই হচ্ছে না। যুদ্ধের কারণে আমরা আর্থিকভাবে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’

‎এ অবস্থায় অতিরিক্ত জ্বালানি ও বীমা খরচ, নিরাপত্তা ঝুঁকিসহ অন্যান্য বাড়তি ব্যয়ের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কনটেইনার প্রতি আটশ থেকে দেড় হাজারে ডলার যুদ্ধ-ঝুঁকি সারচার্জ আরোপ করেছে অধিকাংশ শিপিং লাইন।

‎এম এস সি শিপিংয়ের হেড অব অপারেশন অ্যান্ড লজিস্টিক (জিএম) আজমীর হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘একটা লাইন তো একেকভাবে করেছে। আপাতত এক হাজার বা দেড় হাজার পর্যন্ত তারা সার্চ দিয়েছে। অনেকগুলো লাইন আবার ভয়েস টার্মিনেট করে দিয়েছে। অর্থাৎ, যে কার্গোটার ফাইনাল গন্তব্য কোনো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ, সেখানে যেহেতু যেতে পারছে না তাহলে তৃতীয় কোনো দেশে পণ্য নামিয়ে দিবে। সেখানেই ভয়েসটা টার্মিনেট হবে।’

‎হরমুজ প্রণালি ঘিরে সংকট দীর্ঘায়িত হলে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে খরচ বাড়বে এবং পুরো মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক বাণিজ্য ঝুঁকিতে পড়বে। বাড়বে জ্বালানি সংকট।

‎বাংলাদেশ ফ্রেইটফরওয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘আমরা স্বস্তির মধ্যে নেই। যেকোনো সময় যদি মনে করেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয় এটিও বন্ধ হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। বিকল্প যে পথ আছে, সৌদি এবং ওমান যে উপসাগরীয় পথ ব্যবহার করে সে অঞ্চলটা ব্যবহার করে যে এই দুটি দেশ ব্যবহার করা হবে সেটিও এখন পর্যন্ত এক ধরনের ঝুঁকির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি।’

‎বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৭৫ কোটি ডলারের পণ্য।

মন্তব্য (০)





image

যুদ্ধের প্রভাবে অনিশ্চয়তায় মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার

নিউজ ডেস্কঃ ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে অনিশ্চ...

image

স্বর্ণের দামে উত্থান

নিউজ ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তীব্র হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিস...

image

‎মার্চের প্রথম ৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৭ কোটি ডলার

নিউজ ডেস্কঃ চলতি মার্চ মাসের প্রথম ৩ দিনে দেশে এসেছে ৫৭...

image

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা: সবজি রফতানিতে ধস, বাজার হারানোর...

নিউজ ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সবজি রফতানিতে ধস ...

image

দুই দিনে রেমিট্যান্স এলো ৪ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা

নিউজ ডেস্ক : পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর ঘিরে চলতি মাসেও (মার্চ) রেমি...

  • company_logo