ছবিঃ সিএনআই
মাগুরা প্রতিনিধিঃ শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়নের ছোনগাছা-দোসতিনা গ্রাম সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, দোসতিনা ও ছোনগাছা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে সালেক সর্দার (৬০) এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে খন্দকার হাবিবুর রহমান হাবিব (৪৫)।
কীভাবে শুরু হলো সংঘর্ষ?
সন্ধ্যায় দোসতিনা বাজারে আলিমের চায়ের দোকানের সামনে পাকা সড়কে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তেই তা উত্তপ্ত রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়, মানুষ দিকবিদিক ছুটতে থাকে।
এরপর দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। সংঘর্ষে কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বাজার ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন মিয়া জানান, “পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে যে কোনো সময় আবারও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়তে পারে। দোসতিনা বাজারের শান্ত পরিবেশ ভেঙে এভাবে সহিংসতার ঘটনায় সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গা...
পাবনা প্রতিনিধি : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্...
কক্সবাজার প্রতিনিধি : বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় মি...
কক্সবাজার প্রতিনিধি: টেকনাফের শাহপরীতে প্রায় ২ কো...
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের কালীগঞ্জ&nb...

মন্তব্য (০)