ছবিঃ সিএনআই
পাবনা প্রতিনিধি : ক্রসফায়ার থেকে বেঁচে ফিরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী তরবিয়াত সেক্রেটারি ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। অন্যদিকে সততা ও নৈতিকতার জন্য সবসময় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেছেন এই শিক্ষাবিদ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চলনবিল অধ্যুষিত পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর) আসনের জনগণের রায়ে সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক মামলায় দীর্ঘসময় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি থাকা মজলুম জননেতা হিসেবে সুপরিচিত অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার। তার জয়লাভের পর এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট পেয়েছেন। ফলে ৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন আলী আছগার।
জানা গেছে, অধ্যাপক মাওলানা আলী আছগার পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী তরবিয়ত সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বাড়ি ভাঙ্গুড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঝিনাইগাড়ী কলকতি গ্রামে। ১৯৮৫ সালে দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এরপর নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হন। ১৯৯৯ সালে জামায়াতের রুকন হন। পরে ২০০০ সালে তিনি পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন। জনমত জরিপ ও এলাকার ভোটারদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে তাকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁডিপাল্লা প্রতীকে মনোনয়ন দেন। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে ভোটারদের মন জয় করে বিজয়ী হয়েছেন।
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তাকে ক্রসফায়ারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একদিন গভীর রাতে পাবনা জেলা কারাগার থেকে তাকে বের করে পুলিশ অজ্ঞাতস্হানে নিয়ে যায়। তিনি বিচলিত না হয়ে বারবার স্মরণ করতে থাকেন মহান আল্লাহকে। এ অবস্হায় নিজেকে প্রতিহত করেন শাহাদাতের মৃত্যুর জন্য, আর মুখে জপতে থাকেন দোয়া-দরুদ। একসময় পুলিশের এক কর্মকর্তা তার খাওয়া-দাওয়া হয়েছে কি না বা কোনো ই”ছা থাকলে জানতে চান। তখন আলী আছগার রাতের খাবার খাওয়া হয়নি এবং নামাজ আদায়ের সুযোগ চান। বিষয়টি জানার পর সামান্য দূরে পুলিশ সদস্যরা দীর্ঘক্ষণ কারো সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে জেলে ফিরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেন।
ফরিদপুর প্রতিনিধি : মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃ...
নড়াইল প্রতিনিধি : নানা আয়োজনে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র ...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুর জেলা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে ...
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনি...

মন্তব্য (০)