• সমগ্র বাংলা

টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যুবককে গুলি করে হত্যা

  • সমগ্র বাংলা

প্রতীকী ছবি

কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা  ক্যাম্পের বিকাশ মোড় এলাকায় আব্দুর রহিম ওরফে রইক্ষ্যা (৩৫) নামে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আব্দুর রহিম মোছনীর নয়াপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। সে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আলম গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানা যায়। 

বুধবার ১৪ (জানুয়ারি) ফজরের নামাজের সময় স্থানীয় মুসল্লিরা বিকাশ মোড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯ টারদিকে মুঠোফোনে কল দিয়ে বন্ধুরা আব্দুর রহিমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। নিহতের স্ত্রী ছারা খাতুন ও তার ছেলে আবদুর রহমান জানান,মুঠোফোনে বন্ধুর কল পেয়ে রাতে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি আর ফেরেননি। ক্যাম্পের রোহিঙ্গা বন্ধুরা তার পিতাকে হত্যা করেছে।​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,নিহতের কপাল ও মাথা থেঁতলানো ছিল এবং চোখের পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে,দূর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং পরে তাকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। লাশের পাশে সড়কে প্রচুর রক্ত বইয়ে যেতে দেখা গেছে। আশেপাশে গুলির খালি খোসা ও পাথর এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। গত রবিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাত নুর কামাল হত্যাকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এই নতুন খুনের ঘটনায় ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের ধারণা,আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ গ্রুপের হাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। নিহিত রইক্ষা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী 'আলম' গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে। ক্যাম্পে দায়িত্বরত এপিবিএন পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর আতাউর রহমান জানান,"প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিজেদের কোন্দলে তাকে হত্যা করেছে।  খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করি। থানা পুলিশ পৌঁছলে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠানোর হবে এবং খুনিদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে''। হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জানান, মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে ক্যাম্পের ভিতর এভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা দুঃখজনক। বিষয়টি আইনশৃংখলা বাহিনীকে অবগত করা হয়েছে।

মন্তব্য (০)





  • company_logo