• সমগ্র বাংলা

পাবনায় মাদ্রাসায় নিয়োগ বাণিজ্যে স্বজনপ্রীতির ঘটনায় তদন্ত শুরু

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনার চাটমোহর উপজেলার জগতলা সিদ্দিকীয়া দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ কার্যক্রমে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও অর্ধকোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে মাদ্রাসায় গিয়ে তদন্তকাজ শুরু করেন তিন সদস্যের কমিটি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন, সদস্য সহকারী প্রোগ্রামার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আব্দুল্লাহ আল নোমান এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার গোলাম মোস্তফা মাদ্রাসার সুপার আবুল হোসেন, অভিযোগকারী সহ সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শোনেন। সেইসঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন তারা। 

এ সময় চাটমোর প্রেসক্লাবের সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল, সহ-সভাপতি সঞ্জিত সাহা কিংশুক, সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন সহ এলাকার অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। 

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বলেন, 'অভিযোগের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটি হিসেবে আমরা উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনেছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হয়নি। আমরা আরো যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করবো।'

অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার আবুল হোসেন বলেন, 'স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কোন ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন বা স্বজনপ্রীতি করা হয়নি। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগও ভিত্তিহীন। তদন্ত কমিটি যদি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সত্যতা পায় তাহলে যে ব্যবস্থা নেবে আমি তা মেনে নেবো।' 

এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর মাদ্রাসাটিতে নিয়োগ বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করেন চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চেীধুরী।

উল্লেখ্য, মাদ্রাসার সভাপতি বুলবুল আহমেদ ও সুপার আবুল হোসেন যোগসাজশে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে নিজেদের আত্মীয়-স্বজনকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন একজন চাকুরী প্রার্থী।

তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, মাদ্রাসার সভাপতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বুলবুল আহমেদ ও মাদ্রাসার সুপার আবুল হোসেন নিজেরা যোগসাজস করে অর্ধকোটি টাকার বাণিজ্য করে চারটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন। সভাপতি বুলবুল আহমেদ তার আপন ফুপাতো ভাই তারেক মাহমুদ কে অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে এবং আপন চাচাতো বোন রাবেয়া খাতুনকে আয়া পদে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখিয়ে নিয়োগে সুপারিশ করেছেন।

অন্যদিকে সুপার আবুল হোসেন মোটা অংকের টাকায় তার পরিচিত আলমগীর হোসেন নামের একজনকে ল্যাব সহকারি পদে এবং স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ও সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের ভাতিজা নয়ন হোসেনকে নিরাপত্তা কর্মী পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তার প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

মন্তব্য (০)





image

শার্শায় পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম, হাসপাতাল...

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলার শাড়াতলা বাজারে পাও...

image

ডিবি হেফাজতে যুবকের মৃত্যু: ফরিদপুর ডিবি ওসি প্রত্যাহার

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের মধুখালীতে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা...

image

বন্দরে বায়ু দূষণকারী অবৈধ খান ব্রিকস ও আল্লাহ মহান ব্রিকস...

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কেওঢালা এলা...

image

পাবনায় অবৈধ দুটি স্যালাইন কারখানাকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা...

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনায় অবৈধ দুটি স্যালাইন কারখানায় অভিযান চ...

image

পাবনায় যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পাবনা প্রতিনিধিঃ সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে অপপ্রচার ও শিষ্ঠা...

  • company_logo