ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬'-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি।
আজ সোমবার (৮ জুন) প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী এ পোস্টে লেখেন, ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতি বছর আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতি বছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস হিসেবে পালন করে।’
দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘ইনোভেশন, ট্রাস্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি: দ্য পাওয়ার অব অ্যাক্রিডিটেশন’— এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী বলেও এ পোস্টে তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি লেখেন, ‘বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ সময়োপযোগী।’
বর্তমানে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবও বিবেচনায় নেন। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি।’
প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এর মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরও গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।
এ পর্যন্ত বিএবি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও জানান, বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এছাড়া ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া এক ...
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উ...
নিউজ ডেস্কঃ অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন সংস...
নিউজ ডেস্কঃ অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চ...
নিউজ ডেস্কঃ রাজধানীর উত্তরায় ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথ...

মন্তব্য (০)