ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্কঃ কাতার থেকে এলএনজির চতুর্থ চালান নিয়ে একটি জাহাজ আজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে। একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবাহী আরেকটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া আগামী ১২ ও ১৪ মার্চ এলএনজি ও ডিজেল নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসবে।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এর মধ্যে আটটি জাহাজ এরইমধ্যে খালাস শেষ করে চলে গেছে এবং বর্তমানে ৬টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। ফলে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজ চলাচলেও এখন কোনো বাধা নেই। পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো নির্ধারিত সময়ে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।’
ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ বলেন, ‘সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকেও জ্বালানিবাহী জাহাজ দ্রুত খালাসে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, কনটেইনার ডিপো ও লাইটারেজ জাহাজে ডিজেল সংকট এবং চাহিদা-সংক্রান্ত সব তথ্য বিপিসির কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে জানানো হয়েছে। বিপিসি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পাশাপাশি পাইপলাইনে থাকা জাহাজগুলো দ্রুত আনার উদ্যোগ নিয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং জনসচেতন উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে সম্ভাব্য যেকোনো জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
নিউজ ডেস্কঃ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের টার্মি...
নিউজ ডেস্কঃ অর্থের অভাবে কেউ চিকিৎসা সেবা থেকে আর বঞ্চি...
নিউজ ডেস্কঃ সরকার মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা শুধু শহরকেন্দ্...
নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ঢাকাকে একটি...
নিউজ ডেস্কঃ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল...

মন্তব্য (০)