• লিড নিউজ
  • জাতীয়

মৌলিক সংস্কার চূড়ান্তের পরও আলোর মুখ দেখছে না জুলাই সনদ, মুখোমুখী রাজনৈতিক দলগুলো ‎

  • Lead News
  • জাতীয়

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্কঃ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে মুখোমুখী রাজনৈতিক দলগুলো। মৌলিক সংস্কার চূড়ান্তের পরও আলোর মুখ দেখছে না জাতীয় সনদ। জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) অন্যান্য দল এই সরকারের অধীনেই তা বাস্তবায়ন করতে চায়। তবে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত বিষয় নির্বাচিত সংসদের ওপর ছাড়তে চায় বিএনপিসহ সমমনারা।

‎জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল, জুলাই মাসের মধ্যেই জুলাই সনদ চূড়ান্ত করা। সে অনুযায়ী টানা বৈঠকে এজেন্ডাও শেষ করে কমিশন। কিন্তু বিপত্তি বাধে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে। প্রাথমিক খসড়ায় দুই বছরের মধ্যে সংসদ বাস্তবায়ন করবে- এমন অঙ্গীকারনামায় বিএনপি সমর্থন জানালেও অন্যরা ঘোর আপত্তি জানায়।

‎১৬ আগস্ট জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়া দলগুলোর কাছে পাঠায় কমিশন। রাজনৈতিক দলের ফিরতি মতামত নিয়ে সমন্বিত খসড়া তৈরির কাজ চলছে। এরই মধ্যে বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছেন কমিশন সদস্যরা।

‎আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জুলাই সনদ চূড়ান্ত করে এতে রাজনৈতিক দলগুলোর সই নিশ্চিত করতে চায় ঐকমত্য কমিশন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে শুরু হতে পারে তৃতীয় দফার সংলাপ।

‎তবে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে দলীয় অবস্থানে অনড় রাজনৈতিক দলগুলো। এনসিপি গণভোটের মাধ্যমে সনদের আইনি ভিত্তি এবং গণপরিষদের মাধ্যমে নতুন সংবিধান দাবি করছে।

‎এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে মূলত একটা বোঝাপড়ায় এ পর্যন্ত এসেছে। সরাসরি জনগণের কিংবা আরও যে স্টেকহোল্ডার রয়েছে তাদের মতামতগুলো গণভোটের মাধ্যমে বোঝা যাবে।   

‎অনেকটা একইরকম মত জামায়াতে ইসলামীরও। তাদের দাবি প্রেসিডেনশিয়াল প্রক্লেমেশন অথবা গণভোট। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আগামী সংসদের ওপর ছেড়ে দিলে ৯০ এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা করছে দলটি।

‎জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে আমরা দুটি বিষয় পরামর্শ দিয়েছি। একটা প্রেসিডেনশিয়াল প্রক্লেমেশন হতে পারে আর দ্বিতীয় গণভোট হতে পারে। যদি জুলাই সনদের সমাধান না করে স্বাক্ষর করতে বলে, তাহলে সুবোধ বালকের মতো একটা রাজনৈতিক দলের ভূমিকা হয় না। এরশাদের পতনের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা চুক্তি হয়েছিল, সেটা নির্বাচনের পর আর বাস্তবায়ন হয়নি।’

‎গণভোট, গণপরিষদের মতো দাবিকে ‘কুতর্ক’ হিসেবে দেখছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তার মতে, নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার জন্য এমন দাবি করা হচ্ছে। যাতে লাভবান হবে পতিত শক্তি।

‎টুকু বলেন, ‘কী কারণে গণভোট করতে হবে। এসব বিষয় হচ্ছে কুতর্ক। যাতে নির্বাচনটা না হয় সেই ব্যবস্থা করা। যতো দেরিতে নির্বাচন হবে, ততো দেশের মধ্যে অরাজকতা সৃষ্টি হবে। ফলে পতিত শক্তি সুযোগ পাবে।’

মন্তব্য (০)





image

এইচএসসি পরীক্ষায় বডি ক্যামেরা, গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিক ব্যবস...

নিউজ ডেস্ক : ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্...

image

কেমন হবে আগামীর শিক্ষা ব্যবস্থা জানালেন উপদেষ্টা মাহদী আমিন

নিউজ ডেস্ক : এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার্থীদের শুভকামনা জানি...

image

গাঢ় নীল-হালকা জলপাই শার্ট ও খাকি প্যান্টে ফিরল পুলিশ

নিউজ ডেস্ক : গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙয়ের শার্ট এবং খাকি রঙের...

image

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতার নির্বাচন...

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রধান বিরোধী দলের...

image

নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন

নিউজ ডেস্ক : তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে &l...

  • company_logo