• শিক্ষা

‘কৃষির গবেষণা হওয়া উচিত মানুষের জন্য, দেশের জন্য’ বাকৃবি উপাচার্য

  • শিক্ষা

ছবিঃ সিএনআই

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেছেন, 'কৃষক ও খামারিদের রপ্তানিমুখী বাণিজ্যিকরণ করতে হবে। গাজর-টমেটো হতে শুরু করে সকল কিছুতে আমাদের আরো গবেষণা বাড়াতে হবে। আর সেই গবেষণার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।'

তিনি আরো বলেন, 'বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি সেক্টরে খামারিরা আগের চেয়ে যে অনেক বেশি ইনোভেটিভ হয়েছে, তাতে বাকৃবির বিশেষ অবদান রয়েছে যেটা জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে। আর সেই তাড়না থেকেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আজ অনেক গবেষণামুখী। এই গবেষণা হওয়া উচিত মানুষের জন্য, দেশের জন্য।'

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় বাকৃবি ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ে গাজর ও টমেটো উৎপাদন বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সেন্টারের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: হাম্মাদুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, গাজর ও টমেটো গবেষণার প্রজেক্ট ইনভেস্টিগেটর ও উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ, বাকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব খামারে ময়মনসিংহের প্রায় অর্ধশত কৃষক ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। 

গাজর ও টমেটো গবেষণার প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ‘বাংলাদেশে খরা একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠেছে। এটি গাজর ও টমেটোর উৎপাদন কমিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে গাজর ও টমেটোর চাহিদা বেশি, কিন্তু সরবরাহ কম। এর ফলে, মানুষের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ এবং সি এর ঘাটতি হচ্ছে। তাই, বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য প্রতিকূল পরিবেশে পুষ্টিকর রঙিন গাজর ও টমেটো উৎপাদন এবং প্রসারণ এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য।’

তিনি আরও বলেন, 'গত বছর অক্টোবর মাসে কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে গাজর- টমেটোর বীজ ও চারা বিতরণ করা হয়েছে। সেই চারা ও বীজের ফলন আশানুরূপ হয়েছে। চর এলাকায় কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফলন আরও বৃদ্ধি করাও এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।'

প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া কৃষক জিলানী বলেন, 'আমি গাজর ও টমেটো চাষ করে সফল হয়েছি। চর এলাকায় গাজরের ফলন খুব সুন্দর হয়েছে।'

উল্লেখ্য, শীতকালীন সবজি হিসেবে বিভিন্ন রঙের গাজর, টমেটোর দেশীয় জাত উদ্ভাবনে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ ও তাঁর গবেষকদল। এই প্রকল্পের আওতায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন রঙের ৪০টি গাজরের জার্মপ্লাজম ও ২০টি টমেটোর জার্মপ্লাজম নিয়ে গবেষণা চলছে।

মন্তব্য (০)





image

নওগাঁর ১৯ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করেনি কোন শিক্ষার্থী

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় নওগাঁর ৭টি উপজেলার...

image

পরীক্ষা ছাড়াই একাদশে ভর্তি, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর

নিউজ ডেস্ক : একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে এবারও পরীক্ষা নেই। ফলাফল...

image

শিক্ষক ১৪ জন, পরীক্ষার্থী ৫; দাখিলে সবাই ফেল

গাজীপুর প্রতিনিধি: দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র পাঁচজন। তাই ফল প্রকাশের প...

image

‎প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগ, গহীন পাহাড়ে আবারও বাজব...

নিউজ ডেস্কঃ পার্বত্য বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার নয়াপাড়া...

image

১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২৬২ পেয়ে কক্সবাজারে প্রথম মুনতাকা

নিউজ ডেস্কঃ ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা...

  • company_logo