ছবিঃ সিএনআই
দিনাজপুর প্রতিনিধি: একদল ষড়যন্ত্রকারী সংখ্যালঘু এবং সংখ্যাগুরু বলে দেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে চায়। দুনিয়ার বুকে এমন কোন জাতি নাই যারা বিভক্ত হয়ে সম্মান এবং মর্যাদা লাভ করতে পেরেছে। উন্নতির শিখরে পৌছাতে পেরেছে। এই বিভক্তি আমাদের সর্বনাশ করেছে, আমরা এই বিভক্তির কবর রচনা করতে চাই বলে উল্লেখ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।
তিনি আরো বলেন, আমাদের এখন দরকার জাতীয় ঐক্য। আমাদের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে হাজারো ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র ১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাত শক্ত হাতে রুখে দিবে। আমাদের এই দেশ অপার সম্ভাবনাময় একটি দেশ। সবুজ শ্যামল প্রাকৃতিক সম্পদ সমৃদ্ধ দেশের তাহলে কেন এমন হলো। এর কারণ হচ্ছে যারা এর আগে দেশ পরিচালনা করেছে তাদের কারণে। তারা চুরি করেছেন, ডাকাতি করেছেন, এদেশের মানুষের সম্পদ বাইরের দেশে পাঠিয়েছেন। বিগত ১৫ বছরে ২৬ লক্ষ কোটি টাকা বাইরে পাচার করা হয়েছে। আগে তারা টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন পরে তারা নিজেরাও পালিয়েছেন। দেশের প্রতি যাদের ভালোবাসা আছে তারা কখনো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে না। ড. শফিকুর আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক এক করে শীর্ষ ১১ জন নেতাকে বিগত সরকার খুন করেছে। বিচারিক আদালতের নামে হত্যা করেছে। তবুও জামায়াতের কেউ দেশ থেকে পালিয়ে যায়নি।
আজ রবিবার দিনাজপুরের বীরগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে পথ সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম, জেলার সেক্রেটারি জেনারেল ড. মুহাদ্দিস এনামুল হক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বীরগঞ্জর সভাপতি হামিদুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বীরগঞ্জে সভাপতি কে এম দেলোয়ার হোসেন, বীরগঞ্জ উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি মন্জুরুল ইসলাম, এ কে এম কাউসার সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এস এম হাদীউজ্জামান, মাওলানা তরিকুল ইসলাম কাহারোল উপজেলা আমীর আব্দুল কাদের সাভার থানা আমীর রাশেদুন্নবী বাবু, জাকিরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম খোকন, মাওলানা রবিউল ইসলাম, অঞ্চল টিম সদস্য রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলের আনোয়ারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁয়ের সাবেক জেলা আমীর আবদুল হাকিম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য মাহাবুর রহমান বেলাল, মাওলানা মমতাজ উদ্দিন কেন্দ্রীয় নির্বাহি পরিষদের সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম এবং বীরগঞ্জ উপজেলা আমির আজিজুর রহমান সহ অন্যান্যরা।
জামাতের আমির বলেন, ৫ আগস্টের পরে সবাই স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেন। আগে মানুষ আতঙ্কের সংস্কৃতির মধ্যে ছিল। ৫ আগস্টের পরে শুধু জামায়াতে ইসলামের নয় পুরো বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির সাথে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে।
এর আগে খন্ড খন্ড মিছিলসহ পথসভায় যোগ দেন নেতাকর্মীরা। পরে পরিনত বিশাল জনস়ভায়।
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্...
নিউজ ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তর...
নিউজ ডেস্ক : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে...
নিউজ ডেস্কঃ নিজের স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে জীবনের সবচেয়ে বড় প...
নিউজ ডেস্কঃ একটি দল পতিত স্বৈরাচারকে সুবিধা দেয়ার অপচেষ...

মন্তব্য (১)
হামিদুর রহমান
ধন্যবাদ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থেকে মিডিয়া কভার করার জন্য।