ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ক্লাস্টার ওয়ারহেডের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। অস্ত্রটির যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকারিতা ও ধ্বংসক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
রোববার (১ নভেম্বর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসন এই পরীক্ষা চালায়।
পরীক্ষাটি তদারকি করেন জেনারেল কিম জং সিক। তিনি ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের সদস্য এবং দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির একটি বিভাগের প্রথম উপপরিচালক।
উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাবিষয়ক গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ওয়ারহেড গবেষণা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, পরীক্ষায় দেশটির ‘টাইপ-২ স্ট্যান্ডার্ড ক্লাস্টার ওয়ারহেড’-এর সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। তাদের দাবি, এই ওয়ারহেড অত্যন্ত ঘন বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রায় ১২ থেকে ১৩ হেক্টর (২৯ থেকে ৩২ একর) এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম।
ফলো করুন
কৌশলগত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ক্লাস্টার ওয়ারহেডের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। অস্ত্রটির যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকারিতা ও ধ্বংসক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
Advertisement
রোববার (১ নভেম্বর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসন এই পরীক্ষা চালায়।
পরীক্ষাটি তদারকি করেন জেনারেল কিম জং সিক। তিনি ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের সদস্য এবং দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির একটি বিভাগের প্রথম উপপরিচালক।
উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাবিষয়ক গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ওয়ারহেড গবেষণা ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, পরীক্ষায় দেশটির ‘টাইপ-২ স্ট্যান্ডার্ড ক্লাস্টার ওয়ারহেড’-এর সক্ষমতা যাচাই করা হয়েছে। তাদের দাবি, এই ওয়ারহেড অত্যন্ত ঘন বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রায় ১২ থেকে ১৩ হেক্টর (২৯ থেকে ৩২ একর) এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম।
উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসনের প্রধান জানিয়েছেন, দেশটি ক্লাস্টার ওয়ারহেডকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি ওয়ারহেড এবং সাধারণ বা স্ট্যান্ডার্ড ওয়ারহেড।তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ চার ধরনের ওয়ারহেডই সামরিক ইউনিটগুলোর হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে সামরিক বাহিনী অভিযান পরিচালনার লক্ষ্য এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উপযুক্ত ওয়ারহেড বেছে নিতে পারবে।
উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র প্রশাসন জানিয়েছে, অস্ত্রব্যবস্থার ধ্বংসক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে নিয়মিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার অংশ হিসেবেই এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
ক্লাস্টার ওয়ারহেড এমন এক ধরনের বিস্ফোরক অস্ত্র, যা বিস্ফোরণের সময় একাধিক ছোট বিস্ফোরক উপাদান ছড়িয়ে দেয়। ফলে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
নিউজ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আরব উপসাগরে কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্য...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাজ্যের নৌবাহিনী (রয়্যাল নেভি) ও বিমানবা...
নিউজ ডেস্কঃ ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো হুমকি দ...
নিউজ ডেস্কঃ সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত আঞ...

মন্তব্য (০)