ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : চীনের সামনে একটি বড় সমস্যা হলো, দেশটির মানুষ যথেষ্ট অর্থ ব্যয় করছেন না। বর্তমানে বিশ্বের বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে চীনের ভোগের হার সবচেয়ে কম। প্রকৃতপক্ষে, গত ১০০ বছরে বিশ্বের কোনো বড় অর্থনীতিতেই ভোগের হার এত কম ছিল না।
চীনের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) মাত্র প্রায় ৫৬ শতাংশ আসে ভোগব্যয় থেকে। অধিকাংশ অর্থনীতিতে এই হার ৭০ শতাংশ বা তার বেশি। বিষয়টি বোঝার জন্য বলা যায়, জিডিপির অনুপাতে চীনের ভোগব্যয়ের হার ১৯৯০-এর দশকে জাপানের অর্থনৈতিক স্থবিরতার সবচেয়ে খারাপ সময়ে দেশটির যে হার ছিল, তার চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট কম।
ভোগব্যয় কম হওয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ, এটি একটি স্পষ্ট সতর্কসংকেত যে চীনের অর্থনৈতিক মডেল মৌলিকভাবেই ভেঙে পড়েছে। এ কারণেই দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি দ্রুত থমকে যাচ্ছে। ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে প্রবৃদ্ধির হার যেখানে ১০ শতাংশ বা তারও বেশি ছিল, সেখানে বর্তমানে তা ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এ কারণেই চীনের ঋণও উদ্বেগজনক মাত্রায় বাড়ছে।
এটি শুধু চীনের সমস্যা নয়। দেশটিতে ভোগব্যয় কম থাকার অর্থ, চীনের মানুষ খুব বেশি পণ্য কিনছেন না। কিন্তু ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই না করে চীনের পণ্য উৎপাদন কমানো সম্ভব নয়। তাহলে অতিরিক্ত পণ্য নিয়ে চীন কী করছে? দেশটি ক্রমেই বেশি পরিমাণে পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে, আর দামও ক্রমাগত কমাচ্ছে।
এর কারিগরি পরিভাষা হলো ‘ডাম্পিং’ বা কম দামে পণ্য রপ্তানি করে অন্য দেশের বাজারে প্রতিযোগিতায় সুবিধা নেওয়া। ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ এ নিয়ে অভিযোগ জানাতে শুরু করেছে। চীনের বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত উৎপাদন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদনশিল্পকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
আর এসব সমস্যার মূলে রয়েছে একই কারণ।
নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কা...
নিউজ ডেস্কঃ আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে প্রায় ১...
নিউজ ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভ...
নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটা...
নিউজ ডেস্কঃ চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-স...

মন্তব্য (০)