ছবিঃ সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কাছাকাছি’ পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তানের সমরকন্দ শহরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের ভারত সফরে যাওয়ার আগে সেখানে মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।
রুবিও বলেন, ‘আমরা এখন ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে আমরা খুব কাছাকাছি পৌঁছেছি।’
ভারত সফরে দেশটির বাণিজ্যিক কেন্দ্র মুম্বাইয়ে পৌঁছানোর কথা রয়েছে রুবিওর। পরে তিনি পশ্চিমাঞ্চলীয় গুজরাট রাজ্যের জামনগরে যাবেন। সেখানে বিশ্বের বৃহত্তম একক স্থানে অবস্থিত তেল শোধনাগারটি পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তার।
রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে রুবিও বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের এসব বিষয় সামাল দিতে হবে। আমরা এখন ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে আমরা খুব কাছাকাছি পৌঁছেছি। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ছাড় দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব বিষয় বিবেচনায় নেন।’
রুবিওর মতে, প্রতিটি দেশেরই বিবেচনায় নেওয়ার মতো জটিল কিছু বিষয় থাকে। ভৌগোলিক বাস্তবতার কারণে কোনো কোনো দেশের জন্য বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা কঠিন। এটি কোনো অজুহাত নয়, তবে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের সময় এসব বিষয় ভারসাম্যপূর্ণভাবে বিবেচনা করতে হয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত জানিয়েছিল, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বিরোধ নিরসনে একটি অন্তর্বর্তী কাঠামোগত চুক্তির শর্ত নিয়ে তারা একমত হয়েছে।
গত সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়াল জানান, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপের আলোচনা শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে এর আইনি খসড়া তৈরির কাজ চলছে। নয়াদিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় ভারত সমতুল্য বা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারলে দ্রুত চুক্তিটি চূড়ান্ত করে কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।
গত বছর ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে ভারতের অব্যাহত রুশ তেল কেনাও এ শুল্ক আরোপের অন্যতম কারণ ছিল।
ব্যাপক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে গত বছর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪ হাজার ৯৪০ কোটি ডলার।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জেলে যাওয়া থেকে বাঁচতে ইসরায়েলের প্রধানমন...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভয়াবহ খাদ্যসংকটে ভুগছে ফিলিস্তিনের অবরুদ্...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধের প্র...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনায়...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রীতির দেশ গড়তে হলে পূজায় যে পরিবেশ ব...

মন্তব্য (০)