• আন্তর্জাতিক

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া

  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। বৃহস্পতিবার নিজের পূর্ব উপকূলীয় জলসীমার দিকে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পিয়ংইয়ং।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এই তথ্য জানিয়েছে। চলতি বছর উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক অস্ত্র পরীক্ষার সর্বশেষ ঘটনা এটি।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) এক বিবৃতিতে জানায়, স্থানীয় সময় বিকাল প্রায় পাঁচটার দিকে উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর ওনসান এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সম্ভবত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের ভূখণ্ড বা জলসীমায় কোনও প্রভাব ফেলেনি।

পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে জোর
২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিম জং উনের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্প্রসারণে আরও মনোযোগী হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কিম জং উন আন্তর্জাতিক পরিসরে উত্তর কোরিয়াকে একটি স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান, যাতে তিনি দেশটির ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলতে পারেন।

গত মাসে কিম জং উন একটি নতুন পাঁচ হাজার টন ওজনের ডেস্ট্রয়ারে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রের পরীক্ষা তদারকি করেন। দীর্ঘদিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নৌ সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এর অংশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণ কর্মসূচিও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পানির নিচ থেকে আইসিবিএম উৎক্ষেপণের লক্ষ্য
গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়ার্কার্স পার্টির কংগ্রেসে ঘোষিত পাঁচ বছর মেয়াদি সামরিক পরিকল্পনায় কিম জং উন পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) তৈরির আহ্বান জানান। এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কও জোরদার করেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তা করতে পিয়ংইয়ং প্রচলিত অস্ত্র এবং সেনাসদস্য সরবরাহ করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে কোরীয় উপদ্বীপ এবং বৃহত্তর এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা নতুন করে সামনে এসেছে। সূত্র: রয়টার্সনিক্কেই এশিয়াফ্রান্স২৪

মন্তব্য (০)





image

ভিসা নিয়ে নতুন নীতিমালা যুক্তরাষ্ট্রের

নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ভিসা, গ্রিন কার্ডসহ অভিবাসন-সংক্রা...

image

‎কালান্দিয়া শিবিরে ইসরাইলি অভিযানে গ্রেফতার ৬০ ফিলিস্তিনি

নিউজ ডেস্কঃ ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি জানিয়েছে, অধিকৃত ...

image

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ দুর্যোগ, ঘর হারাল ৬৭ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ভ...

image

‎রুশ বাহিনীর রাতভর ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভে নিহত ১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং সংলগ্ন এলাকাগ...

image

‎গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়াল

নিউজ ডেস্কঃ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযা...

  • company_logo