• সমগ্র বাংলা

পাবনায় সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যায় মামলায় গ্রেপ্তার ৩

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

পাবনা প্রতিনিধিঃ পাবনায় ছেলের সামনে বাবা হোসেন আলী ওরফে হোসেন ঠাকুরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে, মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামিদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

বুধবার (১০ জুন) ভোররাতে তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রামের আকমল খাঁর ছেলে মতিয়ার রহমান (৪০), পুষ্পপাড়া গ্রামের মৃত আমিন প্রামানিকের ছেলে শরীফ প্রামানিক (৩৫) ও জাফরাবাদ গ্রামের সোহরাব মোল্লার ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৮)।

এর আগে মঙ্গলবার (০৯ জুন) নিহত হোসেন আলীর স্ত্রী আফসানা খাতুন বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে পাবনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে পাবনার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ জানান, বুধবার ভোরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, একটি অবিস্ফোরিত গুলি ও একটি গুলির খোসা।

পুলিশ সুপার আরো জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে চরমপন্থি সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ও সদস্যদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে প্রায় এক মাস আগে হোসেন আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তবে হত্যাকান্ডে এর বাইরে অন্য কোনো কারণ বা যোগসূত্র আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে, হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গুলি করা জাফরাবাদ পুরাতনপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মনিরুল ইসলাম ওরফে তোতা (৩৫) ও গোপলা’র ছেলে শাহীন (২৮) কে বুধবার পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত তিনজন এজাহার নামীয় আসামি নন।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার জানান, এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি আছেন ৮ থেকে ১০ জন। মামলার তদন্তে প্রাপ্ত ও হত্যায় জড়িত অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর এজাহার নামীয় আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিগগির তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় পাবনা শহরের মাসুম বাজার এলাকায় জামেয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় ছেলে রোহান (১২) কে  রাখতে গিয়েছিলেন পিতা হোসেন আলী (৫৫)। মাদ্রাসার গেটে পৌঁছামাত্র ছেলের সামনেই হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বুত্তরা।

মন্তব্য (০)





image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভুটভুটির -মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে যুব...

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ভুটভু...

image

সোনারগাঁয়ে ঈদগাঁয়ের জায়গা দখলের প্রতিবাদে ১২ গ্রামের মানব...

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরব...

image

মা‌নিকগ‌ঞ্জে নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মা‌নিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায়...

image

কক্সবাজারে আবাসিক হেটেল থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উ...

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার &q...

image

গোপালপুরে কৃষকনেতা ও সাংবাদিকের মুক্তির দাবিতে সিপিবির মা...

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: গ্রেফতারকৃত টাঙ্গাইলের ক...

  • company_logo