ছবিঃ সিএনআই
কক্সবাজার প্রতিনিধি: সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিন পাড়ার সিনবাদ রিসোর্টের পাশের এক বাড়ির সীমানাপ্রচীরে দেওয়া জালে একটি অজগর আটকা পড়ে। ৫ জুন শুক্রবারে এই ঘটনা ঘটে।
দ্বীপের বাসিন্দারা বলছে, দক্ষিণ সেন্টমার্টিন এলাকার বাসিন্দা মুসা আলীর বাড়ির আঙিনায় থাকা মরিচ ক্ষেতের জালে সাপটি আটকা পড়ে। সকালে ক্ষেতে গিয়ে জালের মধ্যে বিশাল আকৃতির অজগরটি দেখতে পান তিনি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সাপটিকে জীবিত উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবেএই দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের তালিকায় কোন কালেই পাইথনের উপস্থিতি ছিলনা জানান,
বাংলাদেশ ওশানুগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার।
তিনি বলেন, দ্বীপটির য়ে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র তাতে এই দ্বীপটি কোন ভাবেই পাইথনের জন্য উপযুক্ত নয় অন্যদিকে এটি দ্বীপটির পরিবেশে জীবজগতের যে খাদ্যশৃঙ্খল বা ফুডচেইনের জন্য হুমকি স্বরূপ।
"এই অজগরটি এই দ্বীপে আসার দু’টি সম্ভাব্য উপায় আছে। সম্ভবত আরাকানের গহীন জঙ্গলে বণ্যার পানিতে ভেসে বঙ্গোপসাগরের এসে পড়ে পরবর্তীতে সাগরের স্রোতের টানে সেন্টমার্টিনে এসে আশ্রয় নেয় এবং খাবারের সন্ধানে গৃহস্থের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। আবার এমনও হতে পারে কেউ হয়তোবা সাপটিকে এনে এখানে ছেড়ে দিয়েছে মন্তব্য করে
সাবেক মৎস্য সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার বলেন, "শুনেছি অজগরটিকে বেশ কিছুদিন ধরে দক্ষিন পাড়ায় দেখা গেছে।এই ছোট্ট দ্বীপটিতে বনবিভাগের সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকে বলে শুনেছি তাহলে এই পাইথনটিকে কেন এতদিন উদ্ধার ও উপযুক্ত পরিবেশে অবমুক্ত করা হলোনা। "এদিকে অবশেষে সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে উদ্ধার করা অজগর সাপটি শুক্রবার বিকেলে
টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদসহ সংশ্লিষ্টরা সেন্টমার্টিন থেকে অজগরটি উদ্ধার করে টেকনাফ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের গভীর জঙ্গলে অবমুক্ত করেন। রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান,
"বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বনবিভাগের এই উদ্যোগ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বন্যপ্রাণী বাঁচলে, বাঁচবে প্রকৃতি।"
বগুড়া প্রতিনিধিঃ বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে রি...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসি...
কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরি...
বগুড়া প্রতিনিধিঃ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জি...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীর পাড়ে জমি...

মন্তব্য (০)