• লিড নিউজ
  • জাতীয়

অবসরে উপদেষ্টারা কে কী করবেন?

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্কঃ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের আলোচিত-সমালোচিত দেড় বছরের শাসনকাল। উপদেষ্টারা জাতীয় পতাকাবাহী গাড়িতে চড়ে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যাবেন, আর ফিরবেনও একই গাড়িতে তবে ওই গাড়িতে জাতীয় পতাকা থাকবে না।

‎এদিকে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) অনেক উপদেষ্টা আনুষ্ঠানিকভাবে অফিস থেকে বিদায় নিচ্ছেন। উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে কে কী করবেন, সেই প্রস্তুতিও আগে থেকে শুরু করেছেন তারা।

‎কাগজপত্রে এদিন কর্মদিবস থাকলেও রোববারই মূলত তারা উপদেষ্টা হিসেবে শেষ ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠকে যোগ দেওয়া ছাড়াও অনেকেই সচিবালয়ে নিজ নিজ দফতরে গেছেন ও মতবিনিময় করেছেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

‎২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যসংখ্যা প্রধান উপদেষ্টাসহ ২১। এ ছাড়া উপদেষ্টা পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী, বিশেষ দূত ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মিলিয়ে আছেন চার জন। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার চার জন বিশেষ সহকারীও রয়েছেন।

‎অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আজ তার কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে ফটোসেশনে।

‎অধ্যাপক ইউনূস কী করবেন-

‎উপদেষ্টা পরিষদের শেষ বৈঠক শেষে গতকাল বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিক জানতে চান, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে কী করবেন?

‎জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ওনার (অধ্যাপক ইউনূস) ডিকশনারিতে রিটায়ার্ড বলতে কিছু নেই। উনি হয়তোবা ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার শপথের পর ফিরে এসে দেখবেন নতুন একটা কাজ নিয়ে ভাবছেন, যুক্ত হয়েছেন। উনি আগে যে কাজগুলো করতেন, সেগুলো করবেন। সামাজিক ব্যবসা নিয়ে সারা বিশ্বে কথা বলেন। ক্ষুদ্রঋণ ও “থ্রি জিরো” ভিশন নিয়ে কথা বলেন। দারিদ্র্যকে কীভাবে কমানো যায়, সেই কাজ তিনি এখন পর্যন্ত করছেন, আগামী দিনগুলোতেও করবেন। পরিবেশ নিয়েও কাজ আছে।

‎অন্য উপদেষ্টারা কী করবেন

‎আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সচিবালয়ে অফিস করেন। এ সময় নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনিও কি নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছেন? জবাবে আসিফ নজরুল বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না।’

‎অধ্যাপক আসিফ নজরুল গত মঙ্গলবার একটি দৈনিক সংবাদপত্র বলেছেন, উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে তিনি আবার আগের পেশায়, অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় ফিরে যাবেন। এ ছাড়া মৌলিক বিষয়ে লেখালেখি ও গবেষণা করবেন।

‎আলী ইমাম মজুমদার

‎আলী ইমাম মজুমদার গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরপ্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। তিনি আগেই জানিয়েছেন, দায়িত্ব শেষে তিনি আগের মতোই সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন। উপদেষ্টা হওয়ার আগে তিনি সংবাদপত্রে কলাম লিখতেন।

‎সালেহউদ্দিন আহমেদ

‎অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব শেষে আবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেবেন।

‎তৌহিদ হোসেন

‎পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। তিনি আগেই জানিয়েছেন ‘আপাতত কিছুদিন’ বিশ্রাম নেবেন। এরপর আগের মতোই লেখালেখিতে ফিরতে চান।

‎মুহাম্মদ ফাওজুল কবির

‎বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, রমজানের পর আবার লেখালেখি ও বই পড়ায় ফিরবেন তিনি।

‎সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

‎পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গতকালও সচিবালয়ে অফিস করেছেন। দায়িত্ব শেষে তিনি আবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) কাজে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। গতকাল তিনি বলেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি আবার বেলায় যোগ দেবেন।

‎শারমীন এস মুরশিদ

‎সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ‘ব্রতী’তে ফিরে যাবেন এবং মানবাধিকার বিষয়ে কাজ করবেন। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যুক্ত নারীদের সঙ্গেও নিবিড়ভাবে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।

‎শফিকুল আলম

‎ফরেন সার্ভিস একাডেমির সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা যারা তারা শপথের (নতুন মন্ত্রিসভার) দিন থাকবেন, তারা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং শপথের দিন তারা পতাকাবাহী গাড়িতে যাবেন। যখন শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে যাবে, আসার সময় ওই গাড়ি তাদের বাসায় পৌঁছে দেবে, কিন্তু পতাকা থাকবে না। তিনি বলেন, ‘তারা সবাই দেশেই আছেন, তারা দেশের গর্বিত সন্তান। ভবিষ্যতে দেশকে আরও এগিয়ে নিতে তারা তাদের সর্বোচ্চ অ্যাফোর্ট দেবেন।

‎বিএনপি রাজনৈতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আর এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই হচ্ছেন এটা নিশ্চিত। কিন্তু তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার আকার কত বড় হবে এবং কারা থাকছেন, তা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।

‎সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হয়। শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট প্রকাশ করেছে। এই নির্বাচনে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছে।  ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য (০)





image

‎প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জ...

image

‎বিএনপির ইচ্ছা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভব...

নিউজ ডেস্কঃ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ...

image

‎নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক, কোনো ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়...

নিউজ ডেস্কঃ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইব...

image

নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হলেন ড. নাসিমুল গনি

নিউজ ডেস্কঃ নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বর্ত...

image

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের প্রশংসা, বিএনপির বিজয়ে জাপা...

নিউজ ডেস্কঃ বিশ্বাসযোগ্যভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচ...

  • company_logo