ছবিঃ সংগৃহীত
স্পোর্টস ডেস্ক : চ্যাম্পিয়ন্স লিগের স্মরণীয় ম্যাচে ইতালীয় ক্লাব কোমোর কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আর্জেন্টাইন তরুণ তারকা নিকো পাজের জোড়া গোল এবং তাসোস দৌভিকাস ও জাকোবো রামনের গোলের সুবাদে প্রতিযোগিতার নবাগত দল কোমো ৪-১ গোলের এক ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে জশুয়া জিরকজির একটিমাত্র গোল ম্যান ইউনাইটেডকে তাদের প্রতিযোগিতার ইতিহাসের যৌথভাবে সবচেয়ে বড় হার থেকে রক্ষা করে। এই হারের ফলে টানা ৭ ম্যাচ ধরে জয়হীন রেড ডেভিলরা।
অন্যদিকে, গত ৪০ বছরের মধ্যে এটিই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সবচেয়ে খারাপ লিগ মৌসুমের শুরু।
উত্তর ইতালির তীব্র বাতাস ও বৃষ্টির মধ্যে নিষ্প্রভ রেড ডেভিলরা এদিন কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন পর্যন্ত ৩ পয়েন্ট নিয়েই তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, সেরি বি থেকে ইউরোপের সেরা প্রতিযোগিতায় সেস্ক ফ্যাব্রিগাসের দলের এই রূপকথার উত্থান সত্যিই অবিশ্বাস্য। তিনবারের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন ইউনাইটেডকে উড়িয়ে দিয়ে এই জয় ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকল।
স্তাদিও জিউসেপ্পে সিনিগালিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে একক নৈপুণ্যে দারুণ দুটি গোল করে আলো ছড়ান আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার নিকো পাজ। মাঝে দৌভিকাসের নিখুঁত ফিনিশ এবং শেষদিকে রামনের দুর্দান্ত হেড কোমোর জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতার লিগ পর্বে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল ইতালীয় ক্লাবটি।
এদিন ডিফেন্ডার লেনি ইওরোর নিষেধাজ্ঞার কারণে ১১ মাস পর ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরেন ম্যাথাইস ডি লিট। শুরুতেই দিয়োগো দালতের একটি শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলেও, ঘুরে দাঁড়াতে সময় নেয়নি স্বাগতিকরা।
ম্যাচের মাত্র দুই মিনিটেই ডি বক্সের কোণ থেকে বাঁ পায়ে চমৎকার শটে দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন নিকো পাজ। এই গোলটি ইউনাইটেডের পুরনো রক্ষণাত্মক দুর্বলতাকেই আবারও প্রকাশ করেছে, যারা গত সপ্তাহে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষেও ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোল হজম করেছিল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে এটি দলটির মাত্র একটি ক্লিন শিট রাখার ব্যর্থতাকেও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। প্রথমার্ধে ইংলিশ জায়ান্টরা একটি শটও অন টার্গেটে রাখতে পারেনি।
বিরতির পর খেলার গতি বাড়াতে ক্যারিক জোড়া পরিবর্তন আনলেও কোনো লাভ হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র তিন মিনিটের মাথায় পাজের বাড়ানো বল থেকে গ্রিক ফরোয়ার্ড দৌভিকাস দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন (২-০)।
এরপর ৫৭ মিনিটে মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণে ভুল করেন কার্লোস বালেবা। বল কেড়ে নিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে গিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন পাজ। এমনকি হ্যাটট্রিকের সুবর্ণ সুযোগও তৈরি করেছিলেন তিনি, যা ইউনাইটেড গোলরক্ষক সেন ল্যামেন্স ঠেকিয়ে দেন।
ম্যাচ শেষ হওয়ার ১৪ মিনিট আগে সেন্টারব্যাক রামন হেডের মাধ্যমে কোমোর চতুর্থ গোলটি করেন (৪-০)।
গ্যালারির ইউনাইটেড সমর্থকরা যখন হতাশ হয়ে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই ম্যাচের যোগ করা সময়ে বদলি খেলোয়াড় জশুয়া জিরকজি একটি সান্ত্বনার গোল শোধ করেন। তবে তা কেবল ব্যবধানই কমাতে পেরেছে, কোমোর ঐতিহাসিক জয় আটকাতে পারেনি।
স্পোর্টস ডেস্ক : আফগানিস্তানের মতো তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্...
স্পোর্টস ডেস্ক : ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ হের...
স্পোর্টস ডেস্ক : প্যারিসের পার্ক দ্যে প্রাঁসে বার্সেলোনা হের...
স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফার সর্বশেষ নারী ফুটবল র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ...
স্পোর্টস ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম...

মন্তব্য (০)