ছবিঃ সিএনআই
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আনোয়ার জাহিদ মাখনের ইয়াবা সেবনের দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা যায়, ১ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে টিনশেডের একটি ঘরের ভেতরে এক ব্যক্তিকে আনোয়ার জাহিদ মাখনের পাশে দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে একটি পাইপসদৃশ বস্তু মুখে নিয়ে কিছু সেবন করতে দেখা যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা ও জেলা বিএনপি এবং শ্রমিক দলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্যাড ব্যবহার করে একটি কথিত ফরেনসিক রিপোর্ট ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। রিপোর্টটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেওয়ার পর মাদারগঞ্জে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা কথিত রিপোর্টটির উৎস ও সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
আনোয়ার জাহিদ মাখন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। মাদকের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এটি এআই দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকতে পারে।
মাদারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্নেহাশীষ রায় বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জামালপুর জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বাবু জীবন কৃষ্ণ বসাক বলেন, বিষয়টি নিয়ে সভাপতি সোবহান ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে। তিনিও বিষয়টি দেখছেন।
জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান বলেন, তিনি ট্রেনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি ভিডিওটি এখনো দেখেননি। এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজুর কাদের বাবুল খানকে মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে বিজিডি ই-গভ সার্টি প্রকল্পের পরিচালক ও প্রকল্প সহকারী সিস্টেম এনালিস্ট এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নাজমুল হক খন্দকার জানান, এ ধরনের কোনো ঘটনা বা কেস তাদের কাছে আসেনি। এমন কোনো ফরেনসিক রিপোর্টও তাদের দপ্তর থেকে দেওয়া হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া রিপোর্টটি ভুয়া বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, যারা ওই রিপোর্ট পোস্ট করেছেন তাদের পোস্টের লিংক ও স্ক্রিনশট পাঠালে বিষয়টি তারা যাচাই করে দেখবেন।
কথিত ফরেনসিক রিপোর্টের উৎস এবং পুরো ঘটনার প্রকৃত রহস্য তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়ায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চা...
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি...
নড়াইল প্রতিনিধি : সড়ক দুর্ঘটনায় এশিয়া টেলিভিশনের নড়াইল জেলা ...
ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন এস এম মঞ্...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় দুর্বৃত্তদের অতর্ক...

মন্তব্য (০)