• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

‎সুদানে বিচার চলাকালে আদালতে ড্রোন হামলা, নিহত ৩৫

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুদানের পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুরে একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম আদালতে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছে।  এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও অনেকে।  মানবাধিকার সংগঠন ‘ইমার্জেন্সি লইয়ার্স’ এ তথ্য জানিয়েছে।

‎সংগঠনটি জানায়, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে (গ্রিনিচ সময় ১১টা) উত্তর দারফুরের গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামে এই হামলা চালানো হয়। ওই সময় স্থানীয় বিভিন্ন বিরোধ ও মামলার শুনানিতে অংশ নিতে অনেক সাধারণ মানুষ আদালতে জড়ো হয়েছিলেন।

‎গ্রামটি বর্তমানে আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

‎প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, আদালতের কার্যক্রম একটি গাছের নিচে চলছিল এবং সেখানে স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। হামলায় চারজন উপজাতীয় নেতা ও আরএসএফের দুই কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে তিনি নাম প্রকাশ করেননি।

‎ড্রোন হামলায় আদালত ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই আদালত স্থানীয় ও উপজাতীয় বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

‎২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং তার সাবেক মিত্র, আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোর বাহিনীর মধ্যে গৃহযুদ্ধ চলছে। এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত কয়েক দশক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

‎গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামটি এল-ফাশের শহরের পশ্চিমে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গত বছরের অক্টোবর মাসে রক্তক্ষয়ী অভিযানের মাধ্যমে আরএসএফ এল-ফাশের দখল করে নেয়। এর আগে শহরটি দারফুরে সেনাবাহিনীর শেষ বড় ঘাঁটি ছিল।

‎জাতিসংঘের তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এল-ফাশের অবরোধ ও দখলকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতা হয়েছে, তাতে গণহত্যার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা গেছে।

‎জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই ড্রোন হামলায় এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

‎এই যুদ্ধের কারণে লাখো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।  একে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করছে জাতিসংঘ।

মন্তব্য (০)





  • company_logo