ছবিঃ সিএনআই
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সমিতি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আয়োজনে ‘দেশীয় ফল উৎসব- ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ফল উৎসব- ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের তৃতীয় তলায় ‘তরুণের সাধনা সম্মেলন কক্ষে’ এই উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সমিতি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আয়োজনে দেশীয় ফল উৎসব- ২০২৬ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। আমরা ছোটবেলায় একসাথে অনেক ফলের নাম বলতে পারতাম, এখন খুব কম শিক্ষার্থীই একসাথে অনেক ফলের নাম বলতে পারবে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সাথে ফলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যেমন: প্রবাদ আছে- তাল পাতার সেপাই, পরের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া ইত্যাদি। ফল উৎসব শুধু ফল খাওয়ার জন্যই নয়, ফল সংরক্ষণের ব্যবস্থাও করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা শুধু সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নয় বরং বিভিন্ন দেশী ফলের প্রায় আশি প্রকার ফলজ বৃক্ষের চারা রোপন করা হয়েছে। আগামী পাঁচ থেকে সাত বছর পরেই আমরা আমাদের নিজস্ব ফল দিয়েই ফল উৎসব করতে পারবো।’
এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা-প্রিন্স)। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহণ প্রশাসক প্রফেসর ড. আহমেদ শাকিল হাসমী, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
দেশীয় ফল উৎসব- ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিব-উল-মাওলা (মাওলা-প্রিন্স) তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় ফলের পরিচয় নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া, ফলের পুিষ্টগুণ এবং স্থানীয় কৃষি ও মৌসুমি ফলের প্রতি সচেতনতা তৈরি করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাষা-সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি ও শিকড়ের প্রতি টান জাগিয়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। আশা করি এই উৎসব শুধু একাডেমিক অনুষ্ঠান নয়, বরং দেশীয় ফলজ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও চর্চার একটি ধারাবাহিক সূচনা হয়ে থাকবে।’
উল্লেখ্য, এই আয়োজনে আম, কাঁঠাল, আনারব, কলা, পেয়ারা, ডাব, লটকন, আমড়া, ড্রাগন, খেজুর, কামরাঙ্গা, ডালিমসহ দেশীয় বিশ প্রকারের অধিক ফলের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থী সকলের জন্য এই আয়োজন উম্মুক্ত ছিল।
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহ জে...
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় প্রতিবন্ধী নারীদের আইনী অধিক...
নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভ...
কুমিল্লা প্রতিনিধি : ফেনীর সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক অভিযান চ...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ...

মন্তব্য (০)