• সমগ্র বাংলা

দুদকের মামলায় পাবনায় গ্রেপ্তার শাহজাদপুরের পিআইও আবুল কালাম আজাদ

  • সমগ্র বাংলা

ছবিঃ সিএনআই

পাবনা প্রতিনিধিঃ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর দায়ের করা মামলায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদ (৪৮) কে পাবনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিবার (০৩ মে) দিনগত রাতে পাবনা শহরের গোপালপুর এলাকা থেকে দুদক ও পুলিশের একটি বিশেষ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত আবুল কালাম আজাদ পাবনার সুজানগর উপজেলার হাসামপুর গ্রামের শমসের আলী মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি স্বপরিবারের পাবনা পৌর শহরের শালগাড়িয়া সদর হাসপাতাল রোডে বসবাস করেন।

দুদক পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের মামলা সূত্রে জানা গেছে, শাহজাদপুর উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, ভুয়া মাস্টাররোল তৈরি এবং সরকারি অর্থ নিজ স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে চারটি পৃথক মামলা দায়ের করেছিল দুদক। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তিনি পলাতক থাকাবস্থায় রবিবার রাতে পাবনা শহরের গোপালপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুদকের এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদ এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদক কর্তৃক প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০২৪ সালের ৮ মে তার প্রতি সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারী করে দুদক। ১১ মে সেই নোটিশ গ্রহণ করে ৩ জুলাই উপপরিচালক, দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পাবনা বরাবর সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন আবুল কালাম আজাদ।

সম্পদ বিবরণী যাচাই/অনুসন্ধানকালে দেখা যায় যে, আবুল কালাম আজাদ কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৯ লাখ ৪২ হাজার ২৪০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া অনুসন্ধানে তার আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার প্রাথমিক প্রমাণ পায় কমিশন।

তার প্রেক্ষিতে দুদক পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদি হয়ে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ তিনটি এবং একই বছরের ২২ অক্টোবর অপর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। পলাতক থাকাবস্থায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দুদক পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মনোয়ার হোসেন বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৯ ধারা এবং ২২ ধারার ক্ষমতাবলে তদন্তকালে আমরা যেকোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারি। এটা তদন্তকারীর স্বাধীনতা রয়েছে। তদন্তকালে যদি আমরা বুঝতে পারি যে আসামী মামলা পরিচালনায় বিভিন্নভাবে বাধার সৃষ্টি করছে অথবা প্রমাণ বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে, তাহলে আমরা সাথে সাথে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে তাকে আবদ্ধ করে রাখি। যাতে তিনি আমাদের তদন্ত কাজে বাধা দিতে না পারেন। যাতে মামলাটি আদালত কর্তৃক সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়ে তার শাস্তি নিশ্চিত হয়।

মামলার বাদী দুদক পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর জানান, আবুল কালাম আজাদ সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। গ্রেপ্তারের পর সোমবার দুপুরে তাকে পাবনা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য (০)





image

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ঈশ্বরগঞ্জে ছাত্রশিবিরের বিক...

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের...

image

ফরিদপুরে জুলাই অভ্যুত্থানের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থি...

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরে জুলাই অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজি...

image

ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ কৃষকের সন্ধান মেলেনি, উদ্ধার অভিযা...

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ...

image

ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল চেকপোষ্ট কাস্টমসে স্বর্ণসহ এক ...

বেনাপোল প্রতিনিধি : ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে বেনাপোল ইমিগ্রে...

image

নড়াইলে ভাবগাম্ভীর্য ও শ্রদ্ধায় পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যু...

নড়াইল প্রতিনিধি : যথাযথ মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্...

  • company_logo