ছবিঃ সিএনআই
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় প্রায় ৩০ হাজার উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসের রোগী এনসিডি কর্নার থেকে বিনামূল্যে সেবা পাচ্ছেন যা হৃদরোগে মৃত্যুহার অনেকাংশে কমিয়ে এনেছে বলে জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা: খুরশীদ আলম।
সোমবার দুপুরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা সমন্বয় সভায় তিনি এই তথ্য জানান।
সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এর বাংলাদেশ হাইপারটেনশন কন্ট্রোল ইনিশিয়েটিভ প্রোগ্রামের সংশ্লিষ্টরা জেলা পর্যায়ে এনসিডি কর্নারের সেবার মান ও সফলতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানান, প্রতিবছর বহু মানুষ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসের ফলে হার্ট এটাক, স্ট্রোক ও অন্ধত্বের শিকার হচ্ছে। বগুড়ায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের হার শতকরা ৬৩ ভাগ, যা অনেক উন্নত দেশের সমান। তবে শতকরা ১৫ ভাগ রোগী এনসিডি কর্নারে নিয়মিত ফলোয়াপে আসেন না এবং শতকরা ২১ ভাগ রোগী এখনও অনিয়ন্ত্রিত।
সংশ্লিষ্টরা জানান বগুড়া সদর ব্যতিত ১১ উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসের রোগী এবং ১৬ হাজারের উপরে ডায়বেটিস রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিডি কর্নার থেকে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ গ্রহণ করছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রন (এনসিডি) কর্মসূচীর উদ্যোগে ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বগুড়াসহ সারা দেশের পরিসংখ্যান তুলে ধরে এনসিডি কর্নারের মাধ্যমে সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নানাবিধ পরিকল্পনা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এর বাংলাদেশ হাইপারটেনশন কন্ট্রোল ইনিশিয়েটিভ প্রোগ্রামের উপ পরিচালক ডা: শামীম জুবায়ের, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. এএসএম নূর-ই- শাদীদসহ জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলার সার্বিক তথ্য উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এর বাংলাদেশ হাইপারটেনশন কন্ট্রোল ইনিশিয়েটিভ প্রোগ্রামের বিভাগীয় প্রোগ্রাম অফিসার এহসানুল আমিন ইমন, সার্ভিলেন্স মেডিকেল অফিসার ডা: রাজাত চৌধুরী, বগুড়ার এমওসিএস ডা: নাফিউর রহমান প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, এ বছরের মধ্যে দেশে হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার এক চতুর্থাংশ কমিয়ে শতকরা ২৫ ভাগে, উচ্চ রক্তচাপের ব্যপকতা কমিয়ে ১৮ ভাগে নিয়ে আসা এবং একইসাথে লবন ব্যবহারের হার শতকরা ২৫ ভাগ কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজশাহী বিভাগের সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এনসিডি কর্নারের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিসসহ অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রনে সরকার বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, পরামর্শ ও ঔষধ প্রদান অব্যাহত থাকবে। এদেশে প্রতি চারজন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন উচ্চ রক্তচাপের রোগী পাওয়া যায় যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই কর্নারগুলো থেকে প্রাপ্তবয়সী সকলকে আধুনিক ডিজিটাল মেশিনের মাধ্যমে রক্তচাপ পরিমাপ করা হবে এবং সকল রোগীর তথ্য সিম্পল এ্যাপস ব্যবহার করে সংরক্ষণ করা হবে এবং তাদের উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণের হার মনিটরিং এর কাজ জোড়দার করা হবে।
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের ...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:ময়মনসিংহের ঈ...
পাবনা প্রতিনিধি : যারা শিকড় ভুলে যায়, তাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে ...
বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় আর্ত মানবতার সংগঠন স্বর্ণগ্রামের উদ্...
ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা এলাকায় চাঞ্চল্যক...

মন্তব্য (০)