ছবিঃ সিএনআই
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত কৃষক দল নেতা তরু মুন্সীর লাশ নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে বিএনপি। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্তের পর লাশ নিয়ে ঝিনাইদহ শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে দলের হাজারো নেতাকর্মী।মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সাজেদুর রহমান পাপপু, মুন্সি কামাল আজাদ পাননু, আলমগীর হোসেন, শাহজাহান আলী, আহসান হাবিব রণক, আশরাফুল ইসলাম পিন্টু, মীর ফজলে ইলাহী শিমুল ও নিহত’র ছেলে ছাত্রদল নেতা শিপন মুন্সি বক্তব্য রাখেন। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এম এ মজিদ তার বক্তৃতায় বলেন, জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীকে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহন হন। আঘাতজনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। বিএনপি এই ন্যাক্কারজনক হত্যার বিচার চাই। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেন, বিএনপি শান্তিপুর্ন কর্মসুচি দিয়ে এ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানাবে। জামায়াত ও শিবিরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এক সঙ্গে আমরা হাসিনার মতো ফ্যাসিষ্ট হটিয়েছি। এখন দেশ গড়ার সময়। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আপনারা মানুষের জীবন নিয়ে খেলবেন না।
পুলিশ জানায়, লাশ নিয়ে মিছিল ও সমাবেশ শেষে তরু মুন্সির লাশ তার গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে পৌছায়। সেখানে দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে মাধবপুর কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, বিএনপি সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদসহ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নের স্থানীয় শত শত নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন। এদিকে তরু মুন্সী স্টোকজনিত কারণে মারা গেছেন বলে দাবী করেছে জামায়াত। শনিবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আমীর ড. মো. হাবিবুর রহমান এই দাবী করেন। তিনি বলেন, মাধবপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল ছিলো। সেখানে বিএনপির লোকজন গিয়ে নারীদের মারধর ও শ্লীলতাহানী করে। যে কারণে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুইপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। কৃষকদল নেতা তরু মুন্সী শারিরীক ভাবে অসুস্থ ছিলেন। মারামারির কারণে তিনি আতংকগ্রস্থ হয়ে স্টোক করেন। এই মৃত্যু নিয়ে অপরাজনীতি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবী করেন। উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার ইফতার ও তালিম নিয়ে বিরোধের জের ধরে বিএনপি জামায়াতের সংঘর্ষ হয়। এতে তরু মুন্সি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে মারা যান। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন। নিহত তরু ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে কালো ...
বগুড়া প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বগুড়ায় ফল ব্যবসায...
ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ...
নওগাঁ প্রতিনিধি: সরকার ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতির...
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ স...

মন্তব্য (০)