ফাইল ছবি
নিউজ ডেস্কঃ শাবান মাসের ১৪ তারিখের দিবাগত রাতকে ‘শবে বরাত’ বলা হয়, যার অর্থ ‘মুক্তির রাত’। এই রাতে মহান আল্লাহ তাঁর সৃষ্টি জাতির প্রতি দয়া ও রহমতের দৃষ্টিতে তাকান এবং অনেক মানুষকে ক্ষমা করেন। তবে শবে বরাত পালন করার সময় কিছু ভুল রেওয়াজ ও অবাঞ্ছিত কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি।
শবে বরাতে বিরত থাকার বিষয়সমূহ:
আলো সজ্জা ও আতশবাজি
মসজিদ, বাড়ি বা দোকানে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা করা, পটকা ফোটানো, আতশবাজি করা—এসব কাজ শবে বরাতে অত্যন্ত অনুচিত। এগুলো ইসলামের কোনো বিধি বা প্রমাণে সমর্থিত নয় এবং কিছু ক্ষেত্রে হিন্দু ধর্মীয় উৎসব থেকে গ্রহণ করা বেদআত বা অবৈধ প্রথার অংশ হতে পারে।
বিনাপ্রয়োজন নারীদের বাইরে যাওয়া
শবে বরাতে নারীদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাইরে বের হওয়া, বিশেষত বেপর্দা হয়ে দোকানপাট বা ভিড়ের মধ্যে যাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
হই-হুল্লোড় ও গলিতে ঘুরে বেড়ানো
তরুণ ও যুবকরা সারারাত শহরের অলিতে গলিতে ঘুরে বেড়ানো, হৈ-হুল্লোড় করা বা জনসম্মুখে অশান্তি সৃষ্টি করা এই রাতের শালীন ও ইবাদতপূর্ণ পরিবেশের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
মাইক দিয়ে বক্তৃতা বা ওয়াজ-নাশা
মসজিদে বা বাড়িতে মাইক ব্যবহার করে বক্তৃতা বা ওয়াজের আয়োজন করা, যা ইবাদতের জন্য একাগ্রতা নষ্ট করে এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশ্রামে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে, তা থেকেও বিরত থাকা উচিত।
দলে দলে মসজিদে জমায়েত হওয়া নানাভাবে ভুল
হাদিস শরিফ এবং সাহাবাদের যুগে শবে বরাতের জন্য একসাথে নফল নামাজ বা ইবাদতের কোনো রেওয়াজ ছিল না। তাই শবে বরাতের নফল আমল ব্যক্তিগত ও একাকী হওয়া উত্তম।
উল্লেখ্য, শবে বরাত হলো আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও মুক্তির রাত। এই রাতে ইবাদত একাগ্রচিত্তে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একাকী করা উত্তম। মাইক, আলো-আঁধার, আতশবাজি বা অন্য কোনো বিলাসিতার মাধ্যমে ইবাদত নষ্ট করা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত জরুরি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করেন।
নিউজ ডেস্কঃ ছাগলকাণ্ডে বহুল আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনব...
নিউজ ডেস্কঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্ব পাল...
নিউজ ডেস্কঃ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার মৃদু...
নিউজ ডেস্কঃ পবিত্র শবে বরাতকে আল্লাহর রহমত লাভের এক অসাধারণ ...
নিউজ ডেস্কঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ; সড়ক পরিবহন ও সেত...

মন্তব্য (০)