• লিড নিউজ
  • আন্তর্জাতিক

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ

  • Lead News
  • আন্তর্জাতিক

ছবিঃ সংগৃহীত

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

সোমবার (১৬ জুন) জি-৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘আলোচনা ও সাক্ষাতের একটি প্রস্তাব এসেছে। বিশেষভাবে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করে পরবর্তী বৃহত্তর আলোচনার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করার প্রস্তাব এটি।’

এদিকে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানান, সোমবার দেশটির সামরিক বাহিনী ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা (আইআরআইবি)-এর ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় টিভি স্টুডিওতে সরাসরি সম্প্রচার চলছিল। বিস্ফোরণের ধুলো ও প্লাস্টার পড়তে দেখা যায় লাইভ সম্প্রচারে। পরে সম্প্রচার পুনরায় চালু করা হয়।

এর আগে, একইদিন সকালে ইরান টেল আভিভ ও হাইফা বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে অন্তত ১১ জন নিহত হয়।

আরও পড়ুন

‘ইসরায়েল পারমাণবিক বোমা মারলে পাকিস্তানও পারমাণবিক হামলা চালাবে’

‘ইসরায়েল পারমাণবিক বোমা মারলে পাকিস্তানও পারমাণবিক হামলা চালাবে’

১৬ জুন, ২০২৫

 

 

রোববারও পরস্পরের ওপর পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান ও ইসরায়েল। এতে পরমাণু ইস্যুতে ওমানে নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক বাতিল করা হয়।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারো বলেন, ‘ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ইসরায়েল ও ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য এক ধরনের অস্তিত্ব সংকট। এই সংকট থেকে উত্তরণে কূটনৈতিক পথই একমাত্র উপায়।’

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও বাহিনী ইসরায়েলের হামলায় প্রত্যক্ষ সহায়তা দিয়েছে—এ বিষয়ে ইরানের কাছে শক্ত প্রমাণ রয়েছে।’

ইসরায়েলি রেসকিউ সার্ভিস জানায়, রোববার রাতে ইরানি হামলায় আরও ১০ জন নিহত হয়। এতে দেশটির মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩ জনে।

ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতের সংখ্যা জানায়নি। তবে জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূতের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত অন্তত ৭৮ জন নিহত ও ৩২০ জনের বেশি আহত হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ইরানে কমপক্ষে ৪০৬ জন নিহত হয়েছেন।

উভয় দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে, আর যুদ্ধবিরতির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে বিভিন্ন পক্ষ।

মন্তব্য (০)





  • company_logo