• লিড নিউজ
  • জাতীয়

বিমানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে বৈঠক

  • Lead News
  • জাতীয়

ছবিঃ সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক : রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এভিয়েশন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে বৈঠক হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক হয় বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সভায় ২০৩৪–৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৭টি করার সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়।এ লক্ষ্যে বোয়িং-এর উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে গৃহীত উদ্যোগ নিয়েও সভায় পর্যালোচনা করা হয়।

বিমানের বহরে বর্তমানে ২১টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১৬টিই মার্কিন উড়োজাহাজ কোম্পানি ‘বোয়িং’-এর। এর মধ্যে ছয়টি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার, চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ রয়েছে। এর বাইরে বিমানের বহরে স্বল্পদূরত্বের রুটে চলাচল উপেযোগী পাঁচটি ড্যাশ-৮০০ উড়োজাহাজ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে পালটা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে। এই পালটা শুল্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলাকালে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার ক্রয়াদেশ দেওয়ার কথা বলেছিল অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া উদ্যোগ নিয়েও সভায় পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উড়োজাহাজ সংযোজনের পূর্বে রুটভিত্তিক আয়-ব্যয়ের আলোকে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। 

তিনি আরও বলেন, সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে আরও লাভজনক ও যাত্রীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বোয়িং উড়োজাহাজ সংযোজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে।

সেই সঙ্গে তিনি সরবরাহ প্রক্রিয়ার সময়োপযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিদ্যমান পরিকল্পনার আলোকে বর্তমান সরকারের সময়কালে নতুন উড়োজাহাজ বহরে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এছাড়া তিনি ঢাকা-নারিতা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা পুনরায় শুরু করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য (০)





  • company_logo