ছবিঃ সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক : আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে কর ও শুল্ক ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। বেসরকারিখাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও ব্যবসাবান্ধব কর কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছে সংগঠনটি।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে এক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে যৌথ এই সেমিনারের বিষয় ছিল—‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৭: বেসরকারিখাতের অগ্রাধিকার ও দৃষ্টিভঙ্গি’। আইসিএবির সাবেক সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন এবং ইএফের প্রেসিডেন্ট দৌলত আক্তার মালা।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬.৫% থেকে ৭.৩%, যা টেকসই উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত নয়। কর ব্যবস্থায় আস্থা সংকট দূর করার তাগিদ।
এমসিসিআই মনে করে, কর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত হবে না। এ জন্য কর ফাইল খোলায় সময়সীমা নির্ধারণ, অনুমাননির্ভর কর নির্ধারণ বন্ধ এবং কর সংক্রান্ত শুনানিতে ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
ভ্যাট ও কাস্টমসে সহজীকরণে জোর
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতকে সহায়তা দিতে ভ্যাট থ্রেশহোল্ড বাড়ানো, কাস্টমস রিফান্ড প্রক্রিয়া অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজ করা এবং শিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশে শুল্ক কাঠামোর সামঞ্জস্য আনার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।
পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ
জিরো কুপন বন্ড ও ট্রেজারি বন্ডে কর অব্যাহতি এবং আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান মানদণ্ড (আইএফআরএস)-এর সঙ্গে আয়কর আইনের সামঞ্জস্য বিধানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরোক্ষ কর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান
বর্তমানে মোট রাজস্বের প্রায় ৬৬ শতাংশই আসে পরোক্ষ কর থেকে, যা নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। এই নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি কর বাড়ানোর মাধ্যমে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কর কাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছে এমসিসিআই।
ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা ও সুপারিশ
ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমাতে ‘রিস্ক-বেজড অডিট’ চালু, হাইকোর্টে কর সংক্রান্ত মামলায় প্রাক-পেমেন্ট ২৫% থেকে কমিয়ে ১০% করা, টিডিএস হার যৌক্তিকীকরণ এবং রপ্তানি আয়ের ওপর টিডিএস ০.৫০% নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজস্ব আহরণ বাড়বে, একই সঙ্গে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি পূর্বাভাসযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি হবে।
নিউজ ডেস্ক : ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার রেশ পড়েছে দেশের স্বর্ণের ব...
নিউজ ডেস্ক : আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে কর ও শুল্ক...
নিউজ ডেস্ক : জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন...
নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্ত...
নিউজ ডেস্ক : আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ব...

মন্তব্য (০)